সোমবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ
সোমবার রাত্রি রবিবার দিনগত রাত (সালাতে হাজত) -
হযরত আনাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি সোমবার রাতে চার রাকআত নামায পড়ে-
>প্রথম রাকআতে আলহামদু ও সূরা এখলাস দশ বার,
>দ্বিতীয় রাকআতে আলহামদু ও সূরা এখলাস কুড়ি বার,
>তৃতীয় রাকআতে আলহামদু ও সূরা এখলাস ত্রিশ বার এবং
>চতুর্থ রাকআতে আলহামদু ও সূরা এখলাস চল্লিশ বার পাঠ করে।
>এর পর সালাম ফিরিয়ে পঁচাত্তর বার সূরা এখলাস পড়ে নিজের ও পিতামাতার জন্যে মাগফেরাতের দোয়া করে এবং আল্লাহ তা'আলার কাছে নিজের প্রয়োজন ব্যক্ত করে, তার প্রার্থনা পূর্ণ করা আল্লাহ তাআলা নিজের উপর জরুরী করে নেন।
এ নামাযকে সালাতে হাজত বলা হয়।
সোমবার দিনের নামাজ--
(১) হযরত জাবের (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি সোমবার দিন সূর্য উপরে উঠার পর দু'রাকআত পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে সুরা (ফাতেহা) আলহামদু একবার, আয়াতুল কুরসী একবার, এখলাস, ফালাক ও নাস একবার করে পাঠ করে এবং সালামের পর দশ বার এস্তেগফার ও দশ বার দরূদ পাঠ করে, আল্লাহ তাআলা তার সকল গোনাহ মাফ করে দেন৷
(২) হযরত আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : "যেব্যক্তি সোমবার দিন বার রাকআত পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু ও আয়াতুল কুরসী এক একবার এবং নামায শেষে সূরা এখলাস ও এস্তেগফার ‘বার’ বার পড়ে, তাকে কেয়ামতের দিন অমুকের পুত্র অমুক কোথায়, উঠ এবং তোমার সওয়াব নাও, বলে আহ্বান করা হবে। অতঃপর প্রথম সওয়াবস্বরূপ তাকে এক হাজার বেহেশতী পোশাক দেয়া হবে। তার মাথায় মুকুট রাখা হবে। তাকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। তখন এক হাজার ফেরেশতা তার অভ্যর্থনার জন্যে পৃথক পৃথক উপঢৌকন নিয়ে আগমন করবে এবং তার সাথে সাথে থাকবে।
পরবর্তী পর্ব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন