জিহ্বার বিপদাপদ - পর্ব - ৪
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
অপরের কথার মধ্যে কথা বলা এবং বিবাদ করা
হাদীস শরীফে কথার মধ্যে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে । বলা হয়েছে- আপন ভাইয়ের কথার মধ্যে কথা বলো না এবং তার সাথে ঝগড়া করো না । তাকে এমন ওয়াদা দিয়ো না, যা পালন করবে না । এক হাদীসে বলা হয়েছে "কথার মধ্যে কথা বলা ত্যাগ না করা পর্যন্ত কোন বান্দা ঈমানের স্বরূপ পূর্ণ করে না, যদিও তা সত্য হয় ।" আরও বলা হয়েছে- যার মধ্যে ছয়টি অভ্যাস থাকে, সে ঈমানের স্বরূপ পর্যন্ত পৌঁছে যায়- (১) গরমের দিনে রোযা রাখা, (২) খোদাদ্রোহীদেরকে তরবারি দিয়ে হত্যা করা, (৩) বৃষ্টি-বাদলের দিনে প্রথম ওয়াক্তে নামায পড়া; (৪) বিপদে সবর করা; (৫) অধিক শীতেও ওযু পূর্ণরূপে করা এবং (৬) সত্যের দিকে থাকা সত্ত্বেও ঝগড়া-বিবাদ না করা । হযরত মালেক ইবনে আনাস বলেন, ঝগড়া বিবাদ ধর্মের সাথে কোন সম্পর্ক রাখে না । তিনি আরও বলেন : ঝগড়া করলে অন্তর, কঠোর হয়ে যায় এবং তাতে হিংসা-বিদ্বেষের বীজ পড়ে ।
মোট কথা, কথার মধ্যে কথা বলার অনিষ্ট অনেক । এর সংজ্ঞা হচ্ছে অপরের কথায় আপত্তির ছলে দোষত্রুটি বের করা । এটাই বর্জনীয় । কেউ কোন কথা বললে তা যদি সত্য হয়, তবে মেনে নেয়া উচিত । আর ধর্ম সম্পর্কিত মিথ্যা না হলে চুপ থাকা বাঞ্ছনীয় । দোষ তালাশ করার কোন প্রয়োজন নেই । হাদীসে এই স্বভাব 'মারআ' বলে ব্যক্ত করা হয়েছে ৷
পরবর্তী পর্ব
খুসুমত’ তথা বিবাদ
খুসুমত’ তথা বিবাদ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন