শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪

খওফ ও খাশিয়াত বা খোদাভীতি (পর্ব 1)



খওফ ও খাশিয়াত বা খোদাভীতি (পর্ব 1) 
📚মুকাশাফাতুল-কুলুব ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)

হযরত নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন :  আল্লাহ তা'আলা একজন ফেরেশতা সৃষ্টি করেছেনযার বিরাটকায় দেহের এক বাহু দুনিয়ার পূর্বপ্রান্তে এবং অপর বাহু দুনিয়ার পশ্চিম প্রান্তে মাথা আরশের সন্নিকটে এবং পদদ্বয় যমীনের সপ্তম তবককেও অতিক্রম করেছে। তাকে সমগ্র জগতে বিস্তৃত সৃষ্টির সমপরিমাণ পর-পাখা দেওয়া হয়েছে। আমার উম্মতের মধ্যে কোন পুরুষ বা নারী যখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ করেতখন আল্লাহ তাআলা সেই ফেরেশতাকে এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করেন যেসে যেন আরশের নীচে অবস্থিত নূরের সাগরে ডুব দেয়।

আল্লাহ তাআলার নির্দেশ অনুযায়ী সে দরিয়াতে নিমজ্জিত হয়ে বাহির হয় এবং সর্ব শরীর ঝাড়া দেয় ফলে তার অসংখ্য পাখনাহতে অগণিত পানি বিন্দু ঝরে পড়ে। তখন আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর কুদরতের দ্বারা ফেরেশতার গা থেকে ঝরে পড়া প্রতিটি বিন্দু হতে এক একজন ফেরেশতা সৃষ্টি করেন। এই অসংখ্য  অগণিত ফোবশতা দরুদ পাঠকারী ব্যক্তির জন্য কিয়ামত পর্যন্ত গুনাহ মাফীর দো' করতে থাকে। 

জনৈক বুযুর্গ বলেছেন :– “দেহের স্বাস্থ্য নির্ভর করে অল্পাহারের উপর। আত্মার শান্তি নির্ভর করে পাপকার্য পরিত্যাগ করার উপরআর দ্বীন  ঈমানের সংরক্ষণ নির্ভর করে হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি দরূদ পাঠের উপর। 
আল্লাহ্তা'আলা ইরশাদ করেছেন :– ‘ হে ঈমানদার ব্যক্তিগণ ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। অর্থাৎতোমাদের অন্তরে আল্লাহ তা'আলার ভয়-ভীতি জাগরুক করে তোল এবং পরিপূর্ণভাবে তার দাসত্ব  আনুগত্য অবলম্বন করে নাও। এবং প্রত্যেকের উচিতআগামী (কিয়ামতদিবসের জন্য সে কি (আমলপ্রেরণ করছেবা এর জন্য কি প্রস্তুতি নিচ্ছেসে বিষয়ে চিন্তাকরা। বস্তুতঃ  আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করছেন যেতোমরা দান-খয়রাত  ইবাদত-বন্দেগীতে আত্মনিয়োগ কর। যাতে এর প্রতিদানে কিয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে পুরস্কৃত হতে পার। - তোমরা সর্বদা আল্লাহকে ভয় করতে থাক। কারণ তিনি তোমাদের (প্রতিটি নেক আমল  অন্যায়কার্যকলাপ সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত।(হাশর   ১৮
আদম সন্তান দুনিয়াতে কি কি সৎকাজ করেছে অথবা কি কি অপরাধ অসৎ কাজে লিপ্ত হয়েছে  আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করেছেকি নাফরমানী করেছেসেসম্পর্কে কিয়ামতের দিন ফেরেশতাকুলআসমান-যমীনদিবস-রজনী—  সবকিছু আল্লাহর সম্মুখে সাক্ষ্য প্রদান করবে। বরং সেদিন মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও মানুষের স্বার্থের বিপরীত সাক্ষ্য দিবে। মানুষ যদি সৎ  পুণ্যবান হয়তাহলে তার স্বপক্ষেই সাক্ষ্য প্রদান করবে। ঈমানদার  পরহেযগার ব্যক্তির স্বপক্ষে যমীন এই মর্মে সাক্ষ্য দান করবে যেইয়া আল্লাহ !  ব্যক্তি তোমাকে খুশী করার জন্য আমার পৃষ্ঠে নামায পড়েছেরোযা রেখেছেহজ্জ করেছেজিহাদ করেছে। উক্তরূপ সাক্ষ্য শ্রবণ করে ঈমানদার ব্যক্তি অত্যন্ত আনন্দিত ও পুলকিত হবে। পক্ষান্তরেযমীন কাফের  অবাধ্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে যে, “হে আল্লাহ ব্যক্তি আমার পৃষ্ঠে বিচরণ করে শিরক করেছেব্যভিচার করেছেশরাব পান করেছে এবং অন্যান্য হারাম কার্যে লিপ্ত হয়েছে। ফলেবোজ হাশরের কঠিন হিসাবের সময় ধ্বংস  শাস্তি তাকে গ্রাস করে নিবে। বস্তুত প্রকৃত ঈমানদার সে-যে নিজের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দ্বারা আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করে এবং সদা শঙ্কিত থাকে। 
ফকীহ আবুল-লাইস (রহঃবলেছেন : ‘ কারও অন্তঃকরণে আল্লাহর ভয়-ভীতি আছে কি-না বিষয়ে তুমি যদি জানতে চাওতাহলে সাতটি আলামত  লক্ষণের প্রতি লক্ষ্য কর।
এগুলো যদি কারও আচার-ব্যবহারভাবভঙ্গি  জীবনধারায় পরিলক্ষিত হয়তা হলে বুঝেনাও যেতার মনের ভিতরে খোদা-ভীতি  পরহেযগারী বদ্ধমূল হয়েছে। তার অন্তর খোদা তা'আলার খওফ  খাশিয়াতে আবাদ হয়েছে। সেই লক্ষণগুলো হচ্ছে 
(১)  আলামতটি জিহবার সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎতার জিহ্বা মিথ্যাবানোয়াটগীবতচুগলিঅপবাদঅপ্রীতিকর কথাবার্তা  অহেতুক বাক্যালাপ হতে বিরত থাকবে এবং সর্বদা আল্লাহর যিকরকুরআন তিলাওয়াত  দ্বীনি ইলমের চর্চায় নিমগ্ন থাকবে। 
(২) দ্বিতীয় আলামত অন্তরের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ, —অন্যের প্রতি শত্রুতা পোষণ করাঅহেতুক কাউকে দোষারোপ করা এবং হিংসাবিদ্বেষ প্রভৃতি ব্যাধি হতে সে সম্পূর্ণ মুক্ত-পবিত্র থাকবে। হাদীস শরীফে আছে : "হিংসা নেক আমলকে এমনভাবে গ্রাস করে ফেলেযেমনঅগ্নি কাষ্ঠকে জ্বালিয়ে শেষ করে দেয়।”  কথা স্মরণ রাখতে হবে এবং সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে যেহিংসা বিদ্বেষ মানব হৃদয়ের একটি দুরারোগ্য ব্যাধি।  ধরণের আরও অসংখ্য ব্যাধি রয়েছে। এগুলো হতে নিষ্কৃতি পেতে হলে পরিপক্ক ইলম  সনিষ্ঠ আমলের একান্ত প্রয়োজন।বস্তুতঃ উক্তরূপ ইলম  আমলের সমন্বিত সাধনা  পরিশ্রমের মাধ্যমেই আধ্যাত্মিক ব্যাধিসমূহ থেকে আত্মরক্ষা করা অথবা এসব রোগের সুচিকিৎসা করা সম্ভব হতে পারে। 
(৩) তৃতীয় আলামত চক্ষু বা দৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎখোদাভীরু  পরহেযগার ব্যক্তি স্বীয় দৃষ্টিকে হারাম খাদ্যদ্রব্যনিষিদ্ধ পানীয় বস্তুহারাম লেবাস -পোষাক থেকে হিফাযত করবে এবং পার্থিব বস্তুনিচয়ের প্রতি কখনও লোলুপ দৃষ্টি করবে না। বরং আল্লাহর অনুপম সৃষ্টি ও কুদরতের প্রতি দৃষ্টি করে শিক্ষা  সবক হাসিল করবে। হারাম  নিষিদ্ধ পদার্থের প্রতি মোটেও ভ্রুক্ষেপ করবে না। 
হুযুর আকরাম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন : “যে ব্যক্তি নিজের চক্ষুকে হারাম বস্তুর প্রতি দৃষ্টিপাতের দ্বারা পরিতৃপ্ত করবেকিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সেই চক্ষুর ভিতরে দোযখের অগ্নি ভরে দিবেন। 
(৪) চতুর্থ আলামত উদরের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ, —পরহেযগার ব্যক্তি স্বীয় উদরকে হারাম পন্থায় উপার্জিত রিযিক হতে হিফাযত করবে। কেননা এহেন রিযিক ভক্ষণ করা স্বতঃসিদ্ধ মহাপাপ। হযরত নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন ‘ আদম সন্তানের উদরে যখন হারাম খাদ্যের কোন লুকমা পতিত হয়তখন যমিন আসমানের সকল ফেরেশতা  তার উপর লানত  আভিশাপ দিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত এই লুকমা তারপেটে মওজুদ থাকে। আর যদি উক্ত লুকমা পেটে থাকা অবস্থায় সে মারা যায়তাহলে তার ঠিকানা হয় জাহান্নাম। 
(৫) পঞ্চম লক্ষণ হস্তের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎ, —পরহেযগার ব্যক্তিরহাত কখনও হারাম  নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি প্রসারিত হবে না। বরং সাধ্যানুযায়ী সর্বদা সে স্বীয় হাতকে আল্লাহর দাসত্ব  আনুগত্যের কাজে ব্যবহার করবে। হযরত কা' আহবার (.) থেকে বর্ণিত আছে যেআল্লাহ্ তা'আলা বেহেশতে সবুজ ইয়াকুত রত্নের মহল তৈরী করেছেনপ্রত্যেক মহলে সত্তর হাজার কামরা আছে। আবার প্রত্যেক কামরায় সত্তর হাজার দরজা আছে। এই বেহেশতে  ব্যক্তিই প্রবেশ করতে পারবেযার সম্মুখে দুনিয়াতে হারাম বস্তু পেশকরা হয়েছে ; কিন্তু সে একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলার ভয়ে তা পরিত্যাগ করেছে। 
(৬) ষষ্ঠ আলামত পদদ্বয়ের সাথে সম্পর্কিত। অর্থাৎপরহেযগার ব্যক্তির পদদ্বয় আল্লাহ্ তা'আলার নাফরমানী  অবাধ্যতার কাজে ব্যবহার হবে না। বরং সর্বদা আল্লাহর আনুগত্য সন্তুষ্টির কাজে ব্যবহৃত হবে এবং উলামামাশায়েখ  আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের প্রতি বেগবান হবে। 
(৭) সপ্তম আলামত ইবাদত  রিয়াযত। অর্থাৎখালেস  নেক নিয়তে একমাত্র আল্লাহর জন্য ইবাদত-বন্দেগী  সাধনা-পরিশ্রমে নিমগ্ন থাকবে। বস্তুতঃ মানবের উচিত এটাই যেসর্ববিধ সাধনা  ইবাদতের মূলে একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্ রাব্বুল-আলামীনের রেযা  সন্তুষ্টিকেই সামনে রাখবে। এতে কোনরূপ রিয়াকারীলোকদেখানো মনোবৃত্তি  কপটতাকে প্রশ্রয় দিবে না। বিষয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারলে সে ঐসব মহান  ভাগ্যবান লোকের অন্তর্ভুক্ত হবেযাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন :  "মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে তোমার প্রতিপালকের নিকট আখেরাতের কল্যাণ।" (যুখরুফ ! ৩৫

অন্যত্র ইরশাদ করেছেন।"মুত্তাকীগণ থাকবে ঝর্ণাবহুল জান্নাতে" (হিজর : ৪৫ ) 

আরও ইরশাদ করেছেন: "মুত্তাকীগণ থাকবে জান্নাতে  ভোগ-বিলাসে" ( তুর :১৭ ) 

আরও ইরশাদ হয়েছে – "মুত্তাকীগণ থাকবে নিরাপদ স্থানে"(দুখান ! ৫২)

উপরোক্ত আয়াতসমূহে আল্লাহ্ তাআলা প্রকারান্তরে  ঘোষণাই করেছেন যেকিয়ামতের দিবসে দোযখের অগ্নি হতে তারা অবশ্যই মুক্তি পাবে। ঈমানদার ব্যক্তি উচিতযেন সে ভয় ও আশার মধ্যবর্তী স্থানে স্থিত থাকে। কেননাএরূপ ব্যক্তিই কেবল আল্লাহ তাআলার রহমত অনুগ্রহের আশা করতে পারে এবং তার নিকট ক্ষমাপ্রাপ্তির বিষয়ে নিরাশ  হয় না। 
আল্লাহ তা'আলা বলেন– “তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না" (যুমার : ৫৩
অতএবতোমার কর্তব্য হচ্ছে - তুমি একান্তভাবে আল্লাহর দাসত্ব  ইবাদত-বন্দেগীতে মগ্নহয়ে যাওসকল অসৎ  গর্হিত কার্য পরিহার করে এক আল্লাহর প্রতি ধাবিত হও এবং সর্বান্তকরণে  পরিপূর্ণরূপে আত্মসমর্পণ কর।

একদা হযরত দাউদ আলাইহিস সালাম নিজ গৃহে বসে পবিত্র যবুর কিতাব তিলাওয়াত করছিলেন। এমন সময় একটি গর্ত হতে লাল বর্ণের একটি কীট বের হয়। হযরত দাউদ(.)-এর দৃষ্টি সেই কীটের উপর পতিত হলে তার মনে প্রশ্নের উদ্রেক হয় যেআল্লাহ তা'আলা এই কীটটিকে কি উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন ; এর রহস্য  তাৎপর্য কি
তখন আল্লাহ্ তাআলা সেই কীটটিকে বাকশক্তি দান করে নবীর প্রশ্নের জওয়াব দিতে আদেশ করলেন।
কীটটি বললো হে আল্লাহর নবী ! আল্লাহ তাআলা আমার অন্তরকে এভাবে সৃষ্টি করেছেন যেআমি প্রত্যহ দিবসে এক হাজার বার এই কালেমা পাঠ করি "ছোবহানাল্লাহ্ ওয়ালহামদুলিল্লাহ্ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার এবং প্রত্যহ রাত্রিকালে আমি এই দরূদ পড়ে থাকি : “আল্লাহুম্মা সল্লিআলা মুহাম্মাদীন্ নাবিয়্যিল উম্মীয়ি ওয়াআলা আলিহী ওয়া সহাবিহী ওয়াসাল্লিম

হে আল্লাহর নবী। এখন বলুনআপনি আমার সম্পর্কে কি মন্তব্য করছেন ; আমি আপনার দ্বারা উপকৃত হতে চাই। কীটের মুখে একথা শুনে হযরত দাউদ (.) অনুশোচনায় ভেঙ্গে পড়লেন এবং ভীত-শঙ্কিত হয়ে তওবা করে নিজেকে আল্লাহর সোপর্দ করলেন। 

হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম যখন স্বীয় পদম্খলনের কথা স্মরণ করতেনতখন সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়তেন এবং দূর হতে তাঁর বুকের ধড়ফড় আওয়ায শুনা যেতো 
এমনি এক অবস্থার সময় একদা আল্লাহ্ তাআলা হযরত জিবরাঈল (.)-কে প্রেরণ করলেন। তিনি হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামকে বললেন, –মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা'আলা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং জিজ্ঞাসা করেছেন যেআপনি কি এমন কোন লোক দেখেছেনযে তার বন্ধুকে ভয় করে
হযরত ইবরাহীম (আ.বললেন, — “হে জিবরাঈল। আমার পদম্খলনের কথা যখন স্মরণ হয়তখন শেষ পরিণামের কথা চিন্তাকরে আমি বিহ্বল হয়ে পড়ি ; আল্লাহর সাথে গভীর বন্ধুত্বের কথা তখন আমার স্মরণ থাকেনা। 
প্রিয় সাধক আল্লাহর একান্ত প্রিয় বান্দা আম্বিয়ায়ে কেরামআওলিয়ায়ে সালেহীন ও দুনিয়াত্যাগী যাহেদীনের অবস্থা যদি এই হয়তাহলে অন্যান্যদের দশা কি হবেচিন্তা করাউচিত এবং  থেকে প্রচুর শিক্ষা  সবক হাসিল করা উচিত।

পরবর্তী পর্ব 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বিবাহ (৩৫) কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ

বিবাহ  (পর্ব – ৩৫)  📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)  কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ — পিতামাতার উপর কন্যা সন্তানের হক তাদেরক...