খোদাবিমুখতা ও মুনাফেকী (পর্ব- ২)
📚মুকাশাফাতুল-কুলুব ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)
মু'মিন ও মুনাফিকদের লক্ষণ—
হুযুর আকরাম (সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-উনাকে খাটি মু'মিন ও মুনাফিকদের লক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছেনঃ
“প্রকৃত মু'মিন সর্বদা আমল-ইবাদত ও নামায-রোযা প্রভৃতি পুণ্যকার্যে নিমগ্ন থাকে আর মুনাফিক সর্বদা চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায় পানাহার ও উদরপূর্তির চিন্তা-ধান্দায় মত্ত থাকে।
মুনাফিক ব্যক্তি নামায ও ইবাদত পরিত্যাগকারী হয়, আর মু'মিন ব্যক্তি আল্লাহ্’র রাস্তায় দান-খয়রাত করে এবং সর্বদা আল্লাহ্’র কাছে স্বীয় কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে।
মুনাফিক ব্যক্তি পার্থিব ধন-সম্পদের প্রতি লোভী ও উচ্চাভিলাষী হয়, আর মু'মিন ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহ্ ছাড়া আর কারো কাছে কিছু আশা করে না; বরং সমস্ত মখ্লুক থেকে মু'মিন ব্যক্তি অনপেক্ষ থাকে।
মুনাফিক ব্যক্তি আল্লাহ’কে ছাড়া আর সকলের কাছেই আশা পোষণ করে থাকে। মু'মিন ব্যক্তি স্বীয় দ্বীন ও ঈমানকে ধন-সম্পদের উপর প্রাধান্য দেয়। আর মুনাফিক ব্যক্তি ধন-সম্পদকে দ্বীন ও ঈমানের উপর প্রাধান্য দেয়।
মু'মিন ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহ্কে ভয় করে এবং সমস্ত গায়রুল্লাহ্ থেকে নির্ভীক থাকে, আর মুনাফিক ব্যক্তি সকল গায়রুল্লাহকে ভয় করে এবং একমাত্র আল্লাহ্ থেকে নির্ভীক থাকে।
মু'মিন ব্যক্তি নেক আমল করা সত্ত্বেও আল্লাহর ভয়ে রোদন করে, আর মুনাফিক পাপকার্যে লিপ্ত হওয়া সত্ত্বেও আনন্দ-উল্লাসে মত্ত থাকে।
মু'মিন ব্যক্তি নির্জনতা ও একাকীত্ব পছন্দ করে আর মুনাফিক জনকোলাহল ও অবাধে মিলামিশা পছন্দ করে।
মু'মিন ব্যক্তি আমল ও ইবাদতরূপ শস্যক্ষেত্রকে আবাদ করা সত্ত্বেও যেকোন মুহূর্তে তা’ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশংকা পোষণ করে। পক্ষান্তরে মুনাফিক আমলের শস্যক্ষেত্রকে সর্বদা উজাড় করা সত্ত্বেও তা’ থেকে ফসলপ্রাপ্তির আশা করতে থাকে।
মু'মিন ব্যক্তি দ্বীন ও ঈমানের হিফাযত ও আমলের ইলাহের উদ্দেশ্যে সৎ কাজে আদেশ এবং অসৎ কাজে নিষেধ করে থাকে, আর মুনাফিক ব্যক্তি প্রভাব বিস্তার ও ফেতনা সৃষ্টির উদ্দেশে আদেশ-নিষেধ করে থাকে; বরং সে অসৎ ও অন্যায় কাজে আদেশ ও সহযোগিতা করে এবং সৎ ও ন্যায় কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখে ।” যেমন আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেছেন
“মুনাফিক নর-নারী সবারই গতিবিধি এক রকম; শিক্ষা দেয় মন্দ কথা, ভাল কথা থেকে বারণ করে এবং নিজ মুঠো বন্ধ রাখে আল্লাহ্কে ভুলে গেছে তারা, কাজেই তিনিও তাদের ভুলে গেছেন। নিঃসন্দেহে মুনাফিকরাই না-ফরমান। ওয়াদা করেছেন আল্লাহ্ তা'আলা মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক নারী এবং কাফেরদের জন্যে দোযখের আগুনের তাতে পড়ে থাকবে সর্বদা। সেটাই তাদের জন্যে যথেষ্ট। আর আল্লাহ্ তাদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী আযাব।' ( তওবা : ৬৭,৬৮ )
অন্য এক আয়াতে ইরশাদ হয়েছে : “আল্লাহ্ দোযখের মাঝে মুনাফিক ও কাফেরদেরকে একই জায়গায় সমবেত করবেন।' (নিসা : ১৪০)
এসব লোক কুফর ও মুনাফেকীর কারণে মৃত্যুর পর জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। উক্ত আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা মুনাফিকদের কথা পূর্বে উল্লেখ করেছেন, –এর কারণ হচ্ছে যে, এরা কাফেরদের চাইতেও জঘন্য ও নিকৃষ্ট এবং এদের উভয়ের পরিণতিই হবে জাহান্নাম।
যেমন ইরশাদ হয়েছে : “নিঃসন্দেহে মুনাফিকদের স্থান হচ্ছে, দোযখের সর্বনিম্ন স্তরে। আর তুমি, তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী পাবে না।” ( নিসা : ১৪৫ )
অভিধানে ‘মুনাফিক’ শব্দটি ‘নাফেক্বাউল – ইয়ারবু’ অর্থাৎ ‘বন্য ইঁদুরের গর্ত থেকে নির্গত। কথিত আছে, বন্য ইঁদুরের গর্তে দু'টি ছিদ্রপথ থাকে, আরবী ভাষায় একটিকে ‘নাফেকা’ এবং অপরটিকে 'কাছে'আ' বলা হয়। এসব বন্য ইঁদুরের অভ্যাস হলো, এক ছিদ্রপথে নিজেকে প্রকাশ করে এবং অন্য গোপন ছিদ্রপথ দিয়ে বের হয়ে যায়।
অনুরূপ, মুনাফিক ব্যক্তিও বাহ্যতঃ নিজকে মুসলমান হিসাবে প্রকাশ করে থাকে; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ইসলাম থেকে বের হয়ে কুফরের দিকে চলে যায়। এজন্যেই তাকে ‘মুনাফিক' নামে অভিহিত করা হয়েছে। হাদীস শরীফে আছে : “মুনাফিক ব্যক্তির উদাহরণ হচ্ছে, দু'টি পালের মধ্যবর্তী অপরিচিত ছাগল বা মেষের মত। সে একবার এক পালে প্রবেশ করে আবার কিছুক্ষণ পর অপর পালে প্রবেশ করে; কিন্তু উভয় পালের কাছেই সে অপরিচিত হওয়ার কারণে কেউ তাকে গ্রহণ করে না। অনুরূপ, মুনাফিক ব্যক্তিও না মুসলমানদের কাছে অবস্থান করতে পারে না কাফেরদের কাছে স্থান পায়।
আল্লাহ্ তা'আলা জাহান্নামকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে, তার সাতটি দরজা রয়েছে। কুরআনের ভাষায় : “দোযখের সাতটি দরজা রয়েছে।” (হিজর : ৪৪)
কাফেরদেরকে আল্লাহ্ তাআলার লা'নত ও অভিশাপ দিয়ে দোযখে নিক্ষেপ করে লোহার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর উপরের অংশে তামা এবং ভিতরে গলিত সীসা হবে। দোযখের অভ্যস্তরে ভয়াবহ শাস্তি ও আল্লাহ্’র রোষ ও পরাক্রম বিরাজ করবে। দোযখের মাটি হবে উত্তপ্ত তামা, কাঁচ, লোহা ও সীসা দ্বারা গঠিত। দোযখে নিক্ষিপ্ত লোকদের উপরে, নীচে, ডানে, বামে, এক কথায় চতুর্দিক থেকে উপর্যুপরি অগ্নি বর্ষিত হবে। এর মধ্যে সর্বনিম্ন ও সর্বনিকৃষ্ট স্থানে অবস্থান হবে মুনাফিকদের।
বর্ণিত আছে, একদা হযরত জিব্রাঈল (আঃ) হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন, আল্লাহর রসূল তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন : ‘হে জিব্রাঈল ! দোযখের অগ্নি এবং তার উত্তাপ সম্পর্কে আপনি কিছু বলুন।
'হযরত জিব্রাঈল (আ.) বললেন আল্লাহ্ তা'আলা দোযখের অগ্নি সৃষ্টি করে প্রথমে এক হাজার বৎসর পর্যন্ত দগ্ধ করেছেন; ফলে তা’ লালবর্ণ ধারণ করে। অতঃপর আরো এক হাজার বৎসর পর্যন্ত দগ্ধ করেছেন; ফলে তা’ শ্বেতবর্ণে রূপান্তরিত হয়। অতঃপর আরো এক হাজার বৎসর কাল জ্বালিয়েছেন; ফলতঃ সেটা কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করে এবং ঘন অন্ধকারে পরিণত হয়।
অতঃপর হযরত জিব্রাঈল (আ.) বললেন : 'আল্লাহ্ তা'আলার মহান সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্য নবী হিসাবে প্রেরণ করেছেন, যদি দোযখবাসীদের পরিধেয় একটি বস্ত্রখণ্ডও পৃথিবীতে নিক্ষেপ করা হয়, তবে জগতের সমস্ত মখলূক ধ্বংস হয়ে যাবে।
অনুরূপ, যদি দোযখবাসীদের ছোট এক বালতি পরিমাণ পানীয় বস্তু দুনিয়ার সমগ্র পানিতে মিশ্রিত করা হয়; তা'হলে যে ব্যক্তি এর সামান্য পরিমাণও পান করবে, সে তৎক্ষণাৎ মারা যাবে।
এমনিভাবে, জাহান্নামে একটি শিকল রয়েছে, কুরআনের ভাষায় : “তাকে শৃঙ্খলিত করা হবে সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে।' (আল-হাক্কাহ্ ৩২)– এর অর্ধ গজের পরিমাণ দুনিয়ার পূর্ব প্রান্ত হতে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত দুরত্বের সমান। যদি এই শিকলকে পৃথিবীর পর্বতসমূহের উপর রাখা হয়, তা'হলে এই অগণিত পর্বত দ্রব-গলিতে পরিণত হবে। অনুরূপ, যদি কোন ব্যক্তি দোযখে প্রবেশের পর কোনক্রমে বের হয়ে পুণরায় দুনিয়াতে আগমন করে, তাহলে সমগ্র জগতবাসী সেই ব্যক্তির দুর্গন্ধে অসহ্য হয়ে মারা যাবে।”
অতঃপর হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) হযরত জিব্রাঈল (আঃ)- কে দোযখের দরজাসমূহের অবস্থা বর্ণনা করতে বললেন ; অর্থাৎ সেটা কি আমাদের ঘর-বাড়ীর দরজার মত, না অন্য কোনরূপ? হযরত জিব্রাঈল (আঃ) বললেন : “হে আল্লাহর রাসূল !
দোযখের দরজা এই পৃথিবীর ঘর বাড়ীর দরজার মত নয়; বরং তা উপরে-নীচে স্তরে স্তরে বিন্যস্ত এবং নিম্নদিক থেকে এক দরজা হতে অপর দরজা পর্যন্ত সত্তর বছরের পথ পরিমাণ দূরত্ব। উপরের দিক থেকে প্রথম দরজার তুলনায় দ্বিতীয়টির এবং এভাবে পরবর্তী দরজাগুলোর একটির তুলনায় অপরটির উত্তাপ ও দাহন ক্ষমতা সত্তর গুণ অধিক হবে।'
অতঃপর হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এসব স্তরে অবস্থানকারীদের সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে হযরত জিব্রাঈল (আ.) বললেন যে,
দোযখের সর্বনিম্ন তলায় নিক্ষেপ করা হবে মুনাফিকদেরকে। এই স্তরের নাম হা’বিয়াহ্। এ স্তরে মুনাফিকদের অবস্থান প্রসঙ্গে আল্লাহ্ পাক পবিত্র কুরআনে বলেছেন : “নিঃসন্দেহে মুনাফিকদের স্থান হচ্ছে, দোযখের সর্বনিম্ন স্তরে।” (নিসা : ১৪৫)
নিম্নদিক হতে দ্বিতীয় স্তরে হবে মুশরিকরা। এ স্তরের নাম ‘জাহীম'।
তৃতীয় পর্যায়ে মূর্তি-পূজকদের স্তর। এর নাম ‘সাক্বার’।
চতুর্থ পর্যায়ে অভিশপ্ত ইবলীস ও তার অগ্নিপূজক অনুচরদের স্তর। এর নাম ‘লাজা’।
পঞ্চম স্তরে হবে ইহুদীরা; এর নাম ‘হুতামাহ্’।
ষষ্ঠ স্তরে হবে খৃষ্টানরা; এর নাম ‘সাঈর’।
এ পর্যন্ত বর্ণনা করে হযরত জিব্রাঈল (আ.) থেমে গেলেন। হুযূর (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বললেন : 'হে জিব্রাঈল ! আপনি সপ্তম স্তর সম্পর্কে কিছু বলছেন না কেন?”
হযরত জিব্রাঈল বললেন : “হে আল্লাহর রাসূল ! এই স্তর সম্পর্কে আপনি জানতে চাইবেন না।
'হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বললেন : ‘না এ সম্পর্কেও আপনি বলে দিন।'
অতঃপর হযরত জিব্রাঈল (আঃ) আরজ করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) জাহান্নামের এই সপ্তম স্তরে আপনার উম্মতের ওই সব লোক নিক্ষিপ্ত হবে, যারা দুনিয়াতে কবীরা গুনাহে লিপ্ত হয়েছে এবং তওবা না করে মারা গেছে।'
হাদীসে বর্ণিত আছে যে, হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যখন নিম্নের এ আয়াতটি নাযিল হয়েছে— "তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নাই, যে তথায় পৌছবে না।" (মারিয়াম : ৭১) তখন তাঁর পবিত্র অস্তর উম্মতের এই অসহায় অবস্থার কথা চিন্তা করে দুঃখ-বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিল এবং অনেকক্ষণ পর্যন্ত তিনি কান্নাকাটি করেছিলেন। সুতরাং যারা আল্লাহর পরিচয়প্রাপ্ত এবং তার অসীম ক্ষমতা ও পরাক্রমশীলতা সম্পর্কে পরিজ্ঞাত, তাদের উচিত, সর্বদা আল্লাহ্ তা'আলার ভয়-ভীতি ও ভক্তি শ্রদ্ধা হৃদয়-মনে জাগরুক করে রাখা এবং প্রবৃত্তির তাড়না ও পাপাচারের জন্য তওবা ও অনুশোচনার অশ্রু বর্ষণ করা, যাতে শেষ পরিণামে এহেন ভয়াবহ আযাব-গজব ও মর্মস্তদ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়, যার অনিবার্য ফলশ্রুতিতে হাশরের ময়দানে সকলের সম্মুখে অপমানিত হয়ে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর হুকুমে দোযখে নিক্ষিপ্ত হতে হবে।
অগণিত এমন বহু বৃদ্ধ ধরাপৃষ্ঠে দিব্যি নিশ্চিন্তে পদচারণা করছে; যাদের প্রতি দোযখ তার ভয়াবহ মূর্তি ধারণ করে প্রতিনিয়ত অভিশাপ ক্ষেপণ করছে। কত যুবক রয়েছে, দোযখ ডেকে ডেকে যাদের যৌবন ও তারুণ্যের প্রতি ধিক্কার দিচ্ছে। কত অগণিত নারী রয়েছে, দোযখ চিৎকার করে যাদের উপর লা'নত ও লাঞ্ছনার গ্লানি বর্ষণ করছে এবং ক্ষণকাল পরে যাদের মুখমণ্ডল ঘৃণ্য সিয়াহ্ রূপ ধারণ করবে, পৃষ্ঠদেশ তাদের ভেঙ্গে পড়বে। সেই ভয়াবহ দিনে কোন মহামান্য সম্ভ্রান্তের প্রতিও সম্মান প্রদর্শন করা হবে না, কারও পাপ ও অন্যায়-অপরাধ গোপন থাকবে না ।
হে আল্লাহ্ ! আমাদেরকে দোযখ থেকে, দোযখের শাস্তি থেকে এবং ওইসব আচরণ ও কার্যকলাপ থেকে রক্ষা করুন, যেগুলো আমাদেরকে দোযখের দিকে ঠেলে দিবে। আয় আল্লাহ্ ! আপনি অনুগ্রহ করে আমাদিগকে আপনার নেক (পূন্যবান) বান্দাদের সাথে জান্নাতে দাখেল করে নিন আপনি মহা পরাক্রমশালী, অনস্ত মার্জনাকারী। ইয়া আল্লাহ্ ! আমাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করে রাখুন, আচ্ছাদিত করে রাখুন, আমাদেরকে ভয়, সন্ত্রাস ও দুশ্চিন্তা হতে মুক্ত রাখুন, আমাদের ভ্রম ও পদস্খলন মার্জনা করে দিন, ক্বিয়ামতের ময়দানে আপনার সম্মুখে লাঞ্ছনা ও অপমান থেকে রক্ষা করুন; আপনি সর্বমহান, অনস্ত অনুগ্রহের মালিক । আমিন॥
পরবর্তী পর্ব–

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন