সহজ পথ—
অতঃপর এটাও স্মরণ রাখতে হবে যে, আল্লাহ তায়ালা অনুগ্রহ করে এই পৃথিবীতে যেই কাজের জন্য যাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যেই কাজের দায়িত্ব যাকে অর্পণ করেছেন তা তার জন্য সহজ করে দিয়েছেন। যদি মানুষ স্বীয় ভ্রান্তি দ্বারা নিজের স্বভাব ও প্রকৃতিকে বক্র না করে তাহলে তার স্বভাবের জন্য ঐসব পথ অবলম্বন করাই সহজসাধ্য হয় যা আল্লাহ তায়ালা তার রাসূলদের মাধ্যমে মানবজাতির কাছে উপস্থাপন করেছেন। কেননা, এসব পথ তাঁরই প্রস্তাবিত যিনি মানবজাতির স্রষ্টা এবং আকৃতি দাতা।
অতঃপর এটাও স্মরণ রাখতে হবে যে, আল্লাহ তায়ালা অনুগ্রহ করে এই পৃথিবীতে যেই কাজের জন্য যাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যেই কাজের দায়িত্ব যাকে অর্পণ করেছেন তা তার জন্য সহজ করে দিয়েছেন। যদি মানুষ স্বীয় ভ্রান্তি দ্বারা নিজের স্বভাব ও প্রকৃতিকে বক্র না করে তাহলে তার স্বভাবের জন্য ঐসব পথ অবলম্বন করাই সহজসাধ্য হয় যা আল্লাহ তায়ালা তার রাসূলদের মাধ্যমে মানবজাতির কাছে উপস্থাপন করেছেন। কেননা, এসব পথ তাঁরই প্রস্তাবিত যিনি মানবজাতির স্রষ্টা এবং আকৃতি দাতা।
কুরআন মজীদে এই পথকে "সহজ পথ” বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এসব পথ মানুষের স্বভাবগত পথ।
আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় নবি (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) কে সম্বোধন করে বলেছেন: وَنُيَسرُكَ لِليسرى আমি اليسرى কে আপনার জন্য সহজ করে দিয়েছি। যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় চলে এবং আল্লাহভীতির পথকে অনুসরণ করে এবং মঙ্গলের সত্যতা স্বীকার করে তার জন্য আমি البشرى কে সহজ করে দেব।"
এরই ব্যাখ্যাস্বরূপ মহানবি (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেন-
"সকলের জন্য ঐ পথকে সহজ করে দেয়া হয়েছে যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।”
তাই এই পথের অনুসারী হতে মানুষের কু-প্রবৃত্তি, বিগড়ানো স্বভাব এবং নিয়তের ব্যতিক্রম ব্যতীত অন্য কিছু যেন অন্তরায় হয়ে না দাঁড়ায়। অন্যথায় আল্লাহর বন্দেগির পথ তো মূলে নিজের আমলের উপর প্রতিষ্ঠিত মানুষের একান্ত কাম্য বিষয় ও তার প্রকৃতি; স্বভাব ও প্রয়োজনের অনুকূলে। সত্যানুসন্ধানীর জন্য পথ প্রদর্শক
অতপর মহানবি (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) -এর তিরোধানের পর মানবজাতিকে সত্যের পথ-প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে আল্লাহ তায়ালা সত্যের সন্ধানীদের সরল পথে পরিচালনা করার জন্য এই মানবজাতির মধ্যেই একটি দলকে নিয়োগ করে রেখেছেন যারা তাদের সর্বক্ষণ সঠিক পথে পরিচালনা করতে পারেন। এই ব্যাপারে হুজুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) সুসংবাদ জ্ঞাপন করেছেন-
"আমার উম্মতের মধ্যে একটি সম্প্রদায় কেয়ামত পর্যন্ত সত্য ও ন্যায়ের পথে বহাল থাকবে।” আরও বলেন: "সকল যুগে আমার উম্মতের মধ্যে কমপক্ষে চল্লিশ জন ব্যক্তি হজরত ইবরাহীম (আ)-এর চরিত্রে চরিত্রবান থাকবে"।
কাজেই যে কোন ব্যক্তিই সঠিক পথের সন্ধানী হবে এবং সৎ নিয়তে সেই পথে চলতে ইচ্ছুক হবে তার জন্য এই সুসংবাদ যে সে কখনও সৎ পথের সন্ধান পেতে কোন ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হবে না এবং সেই পথে থাকার সাথি পাওয়া হতেও বঞ্চিত হবে না। অবশ্য শর্ত হলো তার নিয়ত সৎ ও সরল হতে হবে। যেমন কোন ব্যক্তি তার বিষয় সম্পত্তির ব্যাপারে ভালো উকিল এবং রোগের চিকিৎসার লক্ষ্যে ভালো ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করে থাকে।
আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় নবি (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) কে সম্বোধন করে বলেছেন: وَنُيَسرُكَ لِليسرى আমি اليسرى কে আপনার জন্য সহজ করে দিয়েছি। যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় চলে এবং আল্লাহভীতির পথকে অনুসরণ করে এবং মঙ্গলের সত্যতা স্বীকার করে তার জন্য আমি البشرى কে সহজ করে দেব।"
এরই ব্যাখ্যাস্বরূপ মহানবি (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেছেন-
"সকলের জন্য ঐ পথকে সহজ করে দেয়া হয়েছে যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে।”
তাই এই পথের অনুসারী হতে মানুষের কু-প্রবৃত্তি, বিগড়ানো স্বভাব এবং নিয়তের ব্যতিক্রম ব্যতীত অন্য কিছু যেন অন্তরায় হয়ে না দাঁড়ায়। অন্যথায় আল্লাহর বন্দেগির পথ তো মূলে নিজের আমলের উপর প্রতিষ্ঠিত মানুষের একান্ত কাম্য বিষয় ও তার প্রকৃতি; স্বভাব ও প্রয়োজনের অনুকূলে। সত্যানুসন্ধানীর জন্য পথ প্রদর্শক
অতপর মহানবি (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) -এর তিরোধানের পর মানবজাতিকে সত্যের পথ-প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে আল্লাহ তায়ালা সত্যের সন্ধানীদের সরল পথে পরিচালনা করার জন্য এই মানবজাতির মধ্যেই একটি দলকে নিয়োগ করে রেখেছেন যারা তাদের সর্বক্ষণ সঠিক পথে পরিচালনা করতে পারেন। এই ব্যাপারে হুজুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) সুসংবাদ জ্ঞাপন করেছেন-
"আমার উম্মতের মধ্যে একটি সম্প্রদায় কেয়ামত পর্যন্ত সত্য ও ন্যায়ের পথে বহাল থাকবে।” আরও বলেন: "সকল যুগে আমার উম্মতের মধ্যে কমপক্ষে চল্লিশ জন ব্যক্তি হজরত ইবরাহীম (আ)-এর চরিত্রে চরিত্রবান থাকবে"।
কাজেই যে কোন ব্যক্তিই সঠিক পথের সন্ধানী হবে এবং সৎ নিয়তে সেই পথে চলতে ইচ্ছুক হবে তার জন্য এই সুসংবাদ যে সে কখনও সৎ পথের সন্ধান পেতে কোন ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হবে না এবং সেই পথে থাকার সাথি পাওয়া হতেও বঞ্চিত হবে না। অবশ্য শর্ত হলো তার নিয়ত সৎ ও সরল হতে হবে। যেমন কোন ব্যক্তি তার বিষয় সম্পত্তির ব্যাপারে ভালো উকিল এবং রোগের চিকিৎসার লক্ষ্যে ভালো ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করে থাকে।
পরবর্তী পর্ব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন