মানুষের আচরণ-ধর্ম—
এই পথের প্রথম পদক্ষেপ হলো সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য এলম তথা জ্ঞানার্জন করা। কারণ, সঠিক জ্ঞান না থাকলে কেউ সঠিক পথের সন্ধান পায় না। কিন্তু বিপদ হলো আমাদের যুগে বিশেষিত আমাদের দেশে এলমের প্রতি লোক উদাসীন, সবাই কুপ্রবৃত্তির ভক্ত এবং আল্লাহর প্রতি অনাসক্ত। এই যুগের আলেমরা পর্যন্ত সত্যের বিরোধী। এই যুগের লোক প্রবৃত্তির তাড়নাকেই শরীয়ত হিসেবে আখ্যায়িত করে। প্রভাব প্রতিপত্তির প্রতি লালায়িত ও লালসার নাম সম্মান, অহংকার করার নাম এলম, লোক দেখানো ইবাদতের নাম তাকওয়া, হিংসা দূর করার পরিবর্তে অন্তরে পোষণ করে রাখার নাম সহনশীলতা, তর্ক-বিতর্ক এবং অতিশয় হীনতার সাথে সংগ্রাম করার নাম মহানতা, মুনাফেকীর নাম বৈরাগ্য, মুখে যা আসে তা বলাকে মারেফাত, বিলাসিতার নাম আল্লাহ প্রেম, নাস্তিকতার নাম দরবেশী, আল্লাহকে অস্বীকার করার নাম ফানা আর হুজুর- (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর শরীয়তকে পরিত্যাগ করার নাম তরিকত রেখেছে। এমনকি সৎপথের পথিকগণ অজ্ঞদের দাপটে এমনভাবে সনাক্ত হয়ে রয়েছেন যেরূপ খোলাফায়ে রাশেদার পর নবি পরিবার উমাইয়া বংশধরদের চাপে নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলেন।
এই পথের প্রথম পদক্ষেপ হলো সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য এলম তথা জ্ঞানার্জন করা। কারণ, সঠিক জ্ঞান না থাকলে কেউ সঠিক পথের সন্ধান পায় না। কিন্তু বিপদ হলো আমাদের যুগে বিশেষিত আমাদের দেশে এলমের প্রতি লোক উদাসীন, সবাই কুপ্রবৃত্তির ভক্ত এবং আল্লাহর প্রতি অনাসক্ত। এই যুগের আলেমরা পর্যন্ত সত্যের বিরোধী। এই যুগের লোক প্রবৃত্তির তাড়নাকেই শরীয়ত হিসেবে আখ্যায়িত করে। প্রভাব প্রতিপত্তির প্রতি লালায়িত ও লালসার নাম সম্মান, অহংকার করার নাম এলম, লোক দেখানো ইবাদতের নাম তাকওয়া, হিংসা দূর করার পরিবর্তে অন্তরে পোষণ করে রাখার নাম সহনশীলতা, তর্ক-বিতর্ক এবং অতিশয় হীনতার সাথে সংগ্রাম করার নাম মহানতা, মুনাফেকীর নাম বৈরাগ্য, মুখে যা আসে তা বলাকে মারেফাত, বিলাসিতার নাম আল্লাহ প্রেম, নাস্তিকতার নাম দরবেশী, আল্লাহকে অস্বীকার করার নাম ফানা আর হুজুর- (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর শরীয়তকে পরিত্যাগ করার নাম তরিকত রেখেছে। এমনকি সৎপথের পথিকগণ অজ্ঞদের দাপটে এমনভাবে সনাক্ত হয়ে রয়েছেন যেরূপ খোলাফায়ে রাশেদার পর নবি পরিবার উমাইয়া বংশধরদের চাপে নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছিলেন।
এই ব্যাপারে হজরত আবু বকর ওয়াস্তি কী সুন্দর বলেছেন- আমাদের এমন যুগের সাথে পরীক্ষা করা হচ্ছে যে যুগের মানুষের মাঝে না ইসলামী আদব আছে, না জাহেলিয়াতের স্বভাব আছে। আর না আছে মানবসুলভ চরিত্র। ফলে আল্লাহ ব্যতীত এমন কে আছে যে বিগত যুগকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম? এজন্য প্রথম পদক্ষেপ সঠিক জ্ঞানার্জনের দ্বারাই আরম্ভ হয়। অতএব আমরা এলম ও এলম অর্জনের অধ্যায় দ্বারাই আরম্ভ করব। আল্লাহ সাহায্যকারী। আল্লাহ ছাড়া আর কারও কোন প্রকার সামর্থ্য নেই।
পরবর্তী পর্ব-
জ্ঞানার্জন করা ফরজ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন