দেহরক্ষী সৈন্য
উষ্ণতা, পানি, বাতাস এবং মাটি মিলিত হইয়া মানব দেহ সৃষ্ট হইয়াছে। এইজন্যই শরীর দুর্বল। অভ্যন্তরে ক্ষুধা-তৃষ্ণা এবং বাহিরে পানি, আগুন, হিংস্র জন্তু ও শত্রুর অত্যাচারে মানবদেহ ধ্বংস হইতে পারে। সুতরাং ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিবারণের জন্য তাহার পানাহারের প্রয়োজন হইয়াছে এবং তজ্জন্য আত্মার দুই প্রকার সৈন্যেরও আবশ্যক হইয়াছে। প্রথম - প্রকাশ্য সৈন্য, যেমন - হস্ত, পদ, দন্ত, মুখ, পাকস্থলী ইত্যাদি। দ্বিতীয় - আভ্যন্তরিক সৈন্য, যেমন - পানাহার ইচ্ছা।
আবার বাহিরের শত্রু দমনের জন্য দুই প্রকার সৈন্যের আবশ্যক। প্রথম, বাহিরের সৈন্য, যেমন - হস্ত, পদ ও অস্ত্রশস্ত্র। দ্বিতীয়, ভিতরের সৈন্য : যেমন- কামনা, ক্রোধ ইত্যাদি। যে সকল বস্তু দেখিতে পাওয়া যাইতেছে না তাহা আত্মারই প্রকার ইন্দ্রিয়ের প্রয়োজন। তন্মধ্যে পাঁচটি ইন্দ্রিয় বাহিরের, যথা - দর্শন, ঘ্রাণ, আস্বাদন ও স্পর্শ এবং পাঁচটি ইন্দ্রিয় ভিতরের, যথা- খেয়াল, চিন্তা, স্মরণ, কল্পনা, অনুধ্যান- এই পাঁচ শক্তি মস্তিষ্কের পাঁচ ইন্দ্রিয়। এই শক্তিসমূহের প্রত্যেকটির জন্য পৃথক পৃথক কার্য নির্দিষ্ট আছে। তন্মধ্যে একটি দুর্বল বা ধ্বংস হইলে মানুষের সাংসারিক কার্য ও ধর্ম কর্মে ব্যাঘাত ঘটে।
দেহরক্ষী সৈন্য আত্মার অধীন

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন