দেহরক্ষী সৈন্য আত্মার অধীন
উপরে যে সকল বাহ্য ও আভ্যন্তরিক সৈন্যের উল্লেখ হইল তৎসমুদয়ই আত্মার আজ্ঞাধীন। আত্মা সেই সকলের বাদশাহ। আত্মার আদেশক্রমেই জিহ্বা কথা বলে, হস্ত ধারণ করে, পথ চলে, চক্ষু দর্শন করে এবং চিন্তাশক্তি চিন্তা করে। উহাদের সম্মতি ও ইচ্ছা অনুসারেই আল্লাহ্ উহাদিগকে আবার আজ্ঞাধীন করিয়া দিয়াছেন। উদ্দেশ্য এই যে, উহারা শরীরের হেফাজত করিবে যাহাতে আত্মা ঐ শক্তির সাহায্যে স্বীয় পাথেয় সংগ্রহ করিতে ও শিকার ধরিয়া লইতে পারে এবং পরকালের বাণিজ্য পূর্ণ করিয়া লইতে ও সৌভাগ্যের বীজ বপন করিতে পারে। ফেরেশতাগণ যেমন, আনন্দের সহিত আল্লাহর আদেশ পালন করে এবং কখনই আল্লাহর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে না, ঐ সকল সৈন্যও তদ্রূপ আত্মার আদেশ পালন করিয়া থাকে।
শরীর, আত্মা ও তাহার সৈন্যদের তুলনামূলক পরিচয়

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন