আত্মা দর্পণ সদৃশ
মানবাত্মা স্বচ্ছ দর্পণের ন্যায় উজ্জ্বল এবং মন্দ স্বভাবে ধোঁয়া ও অন্ধকারসদৃশ। ইহা হৃদয়ে প্রবেশ করিয়া আত্মাকে কলুষিত করিয়া ফেলে। ইহা কিয়ামত দিবসে মানবকে আল্লাহর দর্শন লাভে বঞ্চিত রাখিবে। প্রভু সস্বভাব উজ্জ্বল আলোকস্বরূপ। ইহা হৃদয়ে প্রবেশ করিয়া আত্মার মলিনতা ও পাপ দূর করিয়া সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এইজন্যই রাসূলে মাকবূল (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : “প্রত্যেক মন্দ কার্যের পর সৎকার্য কর। কারণ সৎকার্য অসৎ কার্য মিটাইয়া দেয়।” কিয়ামত দিবসে মানবাত্মা উজ্জ্বল সৌন্দর্যবিশিষ্ট বা অন্ধকারাবৃত মলিন হইয়া বিচারক্ষেত্রে উত্থিত হইবে। আল্লাহ্ বলেন : “যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট নিষ্কলঙ্ক আত্মা লইয়া আসিবে সে ব্যতীত অপর কেহই নাজাত পাইবে না।”
সৃষ্টির প্রারম্ভে আত্মা এমন লৌহের ন্যায় থাকে যদ্দ্বারা স্বচ্ছ দর্পণ নির্মিত হয়। লৌহ-দর্পণে যেমন সকল বস্তুর প্রতিবিম্ব পড়িতে পারে, আত্মার মধ্যেও তদ্রূপ বিশ্বের সকল বস্তুর প্রতিবিম্ব পড়িতে পারে। কিন্তু লৌহ-দর্পণকে অতি সাবধানতার সহিত রক্ষা করিতে না পারিলে উহা মরিচার ধরিয়া নষ্ট হইয়া যায় এবং উহা তখন প্রতিবিম্ব ধারণের অযোগ্য হইয়া পড়ে। আত্মার অবস্থাও ঠিক তদ্রূপড। এই সম্পর্কেই আল্লাহ্ বলেনঃ “ তাহা নহে, বরং নিজ কর্মের দোষে তাহাদের আত্মার উপর মরিচা পড়িয়াছে।”
মানব জীবনের উদ্দেশ্য

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন