বিবাহের ফষীলত সম্পর্কিত আয়াত—
* “তোমাদের বিধবাদেরকে বিবাহ দাও।” এখানে (বিবাহ দাও) ব্যবহৃত হয়েছে, যাতে বিবাহ ওয়াজিব বুঝা যায়।
* “স্বামীদেরকে বিয়ে করে নিতে তাদেরকে বাধা দিয়ো না”। এখানে বিয়েতে বাধাদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পয়গম্বরগণের প্রশংসা ও গুণকীর্তনে এরশাদ হয়েছে :
* “আমি আপনার পূর্বে অনেক রসূল প্রেরণ করেছি এবং তাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান সন্ততি দিয়েছি”। একথা অনুগ্রহ ও কৃপা প্রকাশের স্থলে বলা হয়েছে।
আল্লাহ তা’আলা তাঁর ওলীগণের প্রশংসাও করছেন,
* “তারা তাঁর কাছে সন্তান সন্ততির জন্যে আবেদন করেন”। সেমতে বলা হয়েছে–“যারা বলে, পরওয়ারদেগার, আমাদেরকে আমাদের স্ত্রী ও সস্তান-সন্ততির তরফ থেকে চক্ষুর শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে পরহেযগারদের অগ্রদূত করুন”।
বলা হয়, আল্লাহ তাআলা তাঁর পবিত্র কিতাবে সেই পয়গম্বরগণেরই উল্লেখ করেছেন, যারা সপত্নীক ছিলেন। হাঁ, দুজন পয়গম্বর হযরত ইয়াহইয়া ও হযরত ঈসা (আ.) এর ব্যতিক্রম। তাঁদের মধ্যে ইয়াহইয়া (আ.) সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তিনি বিবাহ করেছিলেন; কিন্তু সহবাস করেননি। কেবল বিবাহের ফযীলত অর্জন ও বিবাহের পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে বিবাহ করেছিলেন। হযরত ঈসা (আ.) যখন পুনরায় পৃথিবীতে আগমন করবেন, তখন বিবাহ করবেন এবং সন্তানাদিও হবে।
পরবর্তী পর্ব —
বিবাহের ফযীলত সম্পর্কিত হাদীস

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন