বিবাহ (পর্ব – ১৬)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)
কনের লক্ষ্যনীয় দ্বিতীয় গুন সদাচারী হওয়া —
দ্বিতীয় গুণ– সদাচারী হওয়া। যেব্যক্তি স্বাচ্ছন্দ্যে ও দ্বীনদারীতে সাহায্য প্রত্যাশা করে, তার জন্যে সদাচারিণী স্ত্রী একটি বড় আশীর্বাদ। কেননা, স্ত্রী প্রগলভ, কটুভাষিণী ও কঠোরস্বভাব হলে তার দ্বারা উপকারের চেয়ে অপকারই বেশী হবে। স্ত্রীদের কটু কথায় সবর করা এমন একটি বিষয়, যা দ্বারা ওলীগণের পরীক্ষা নেয়া হয়।
জনৈক আরব বলেন: ছয় প্রকার নারীকে বিবাহ করো না- আন্নানা, মান্নানা, হান্নানা, হাদ্দাকা, বাররাকা ও শাদ্দাকা।
(১) "আন্নানা” সেই নারীকে বলা হয় যে সর্বদা কাতরায় ও হায় আফসোস করতে থাকে এবং রোগিনী হয়ে থাকে। এরূপ নারীর বিবাহে কোন বরকত নেই।
(২) "মান্নানা" সেই নারীকে বলা হয়, যে স্বামীর প্রতি প্রায়ই অনুগ্রহ প্রকাশ করে বলে, আমি তোমার জন্যে এই করেছি সেই করেছি।
(৩) "হান্নানা" সেই নারীকে বলা হয়, যে তার পূর্ব স্বামীর প্রতি অথবা তার সন্তানদের প্রতি আসক্ত থাকে।
(৪) "হাদ্দাকা" সেই নারীকে বলা হয় যে সবকিছুর উপরই লোভ পোষণ করে এবং তা পেতে চায়। এর পর তা ক্রয় করার জন্যে স্বামীকে তাগিদ দেয়।
(৫) "বাররাকা” হেজাযীদের পরিভাষায় সেই নারীকে বলা হয়, যে সারাদিন কেবল সাজসজ্জা ও প্রসাধনে মেতে থাকে। আর ইয়ামানীদের পরিভাষায় সেই নারীকে বলা হয়, যে খেতে বসেরাগ করে এবং একাই খায়। প্রত্যেক বস্তু থেকে নিজের অংশা আলাদা করে রাখে।
(৬) "শাদ্দাকা" সেই নারীকে বলে, যে খুব বকবক করে।
তিনটি বিষয় পুরুষের জন্য মন্দ নারীর জন্য প্রশংসনীয়—
হযরত আলী (র.) বলেন: যে সকল অভ্যাস পুরুষের জন্য মন্দ সেগুলো নারীর জন্য প্রশংসনীয়। এ জাতীয় অভ্যাস হচ্ছে কৃপণতা, অহংকার ও ভীরুতা। কেননা, নারী কৃপণ হলে নিজের ও স্বামীর অর্থসম্পদ বাঁচিয়ে রাখবে। অহংকারী হলে প্রত্যেকের সাথে নম্র ও মোহনীয় কথাবার্তা বলতে ঘৃণা করবে। আর ভীরু হলে সবকিছুকে ভয় করে চলবে, গৃহের বাইরে যাবেনা এবং স্বামীর ভয়ে অপব্যয়ের স্থান থেকে দূরে থাকবে।
হযরত আলী (র.) বলেন: যে সকল অভ্যাস পুরুষের জন্য মন্দ সেগুলো নারীর জন্য প্রশংসনীয়। এ জাতীয় অভ্যাস হচ্ছে কৃপণতা, অহংকার ও ভীরুতা। কেননা, নারী কৃপণ হলে নিজের ও স্বামীর অর্থসম্পদ বাঁচিয়ে রাখবে। অহংকারী হলে প্রত্যেকের সাথে নম্র ও মোহনীয় কথাবার্তা বলতে ঘৃণা করবে। আর ভীরু হলে সবকিছুকে ভয় করে চলবে, গৃহের বাইরে যাবেনা এবং স্বামীর ভয়ে অপব্যয়ের স্থান থেকে দূরে থাকবে।
পরবর্তী পর্ব —
কনের লক্ষ্যনীয় তৃতীয় গুন রূপলাবণ্য

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন