মানব সমাজের বিভিন্ন সংগঠন - ৬
রাষ্ট্রপতিগণের চরিত্র ও গুণাবলী
রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই যথোপযোগী চরিত্র ও গুণাবলীর অধিকারী হতে হবে। অন্যথায় তিনি রাষ্ট্রের জন্য আপদ ও বোঝা হয়ে দাঁড়াবেন। তিনি যদি সাহসী না হন তা হলে তাঁর প্রতিপক্ষের সাথে যথাযথভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হবেন। ফলে জনগণ তাকে হেয় চোখে দেখবে। তেমনি যদি তিনি ধৈর্যশীল না হন, তাহলে জনগণ তাঁর হাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। তেমনি যদি তিনি বিজ্ঞ না হন, তাহলে জনগণের কল্যাণ সাধনে তিনি অপারগ হবেন।
রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জ্ঞানী, প্রাপ্ত বয়স্ক, স্বাধীন ও পুরুষ হতে হবে। আরও হতে হবে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণক্ষম। তাঁকে দৃষ্টি, শ্রবণ ও বাক শক্তির অধিকারী হতে হবে। জনগণ তাঁর ব্যক্তিত্ব ও খান্দানকে যেন মর্যাদার চোখে দেখে। তাঁর নিজের ও বাপ-দাদার এরূপ ভাল পরিচিতি থাকা চাই যা থেকে জনগণ তাঁর ওপর আস্থা স্থাপন করতে পারে। তারা যেন বিশ্বাস করতে পারে যে, তার দ্বারা দেশ ও জাতির যথার্থ কল্যাণ হবে।
রাষ্ট্রপতির এসব গুণাবলীর প্রয়োজনীয়তা জ্ঞানী মাত্রই উপলব্ধি করবেন। আর এ ব্যাপারে সকল বনী আদম একমত। যে দেশে আর যে সম্প্রদায়ের লোকই হোক না কেন, এ ব্যাপারে তাদের কোন মতানৈক্য নেই। কারণ তারা জানে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তা উপরিবর্ণিত চরিত্র ও গুণাবলী ছাড়া অর্জিত হতে পারে না। সে ক্ষেত্রে জনগণ স্বভাবতঃই তার প্রতি বিরূপ হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে গণ-অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়বে। যদি তারা প্রকাশ্যে কিছু নাও বলে, তথাপি তারা অসন্তোষের কারণে রাষ্ট্রীয় কাজে উদাসীন থাকবে।
তাই রাষ্ট্রপতির জন্য প্রয়োজন হল গণমনে তাঁর প্রভাব ফেলা ও তা সর্বক্ষণ অক্ষুণ্ন রাখা। তেমনি যে সব কাজ তাঁর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে সেগুলোর ব্যাপারে তাঁর সার্বক্ষণিক সতর্কতা প্রয়োজন। যে রাষ্ট্রপতি তাঁর প্রভাব সৃষ্টি করতে আর তা অক্ষুণ্ন রাখতে চান, তাঁকে অবশ্যই উপরোক্ত চরিত্র ও গুণাবলীর অধিকারী হতে হবে। তাছাড়া রাষ্ট্রনায়ক সুলভ সব ধরনের গুণাবলীর অধিকারী হতে হবে। তাছাড়া রাষ্ট্রনায়ক সুলভ সব ধরনের গুণাবলীই তাকে অর্জন করতে হবে। যেমন, সাহসিকতা, বিজ্ঞতা, বদান্যতা, ক্ষমাপরায়ণতা, ঔদার্য্য সার্বজনীন কল্যাণ প্রবণতা।
জনগণের ভেতরে প্রভাব বিস্তার করে তাদের মুঠোয় আনার জন্য রাষ্ট্রপতিকে শিকারীর ভূমিকা নিতে হবে। শিকারী যেরূপ জংগলে বিভিন্ন কলাকৌশলের মাধ্যমে হরিণ শিকার করে থাকে, ঠিক সেরূপ করতে হবে। শিকারী জংগলে গিয়ে যখন কোন হরিণ দেখতে পায়, তখন সে হরিণের স্বভাব ও মেজাজের উপযোগী পন্থা ও কলাকৌশল ভেবে নেয়। তারপর সে শিকারের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। যখন শিকার দৃষ্টিগোচর হয়, তখন সেটার চোখ-কান থেকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা চালায়। যখন সন্দেহ হয় যে শিকার তার উপস্থিতি টের পেয়েছে তখনই নিষ্প্রাণ পাথরের মত নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। যখন বুঝতে পায়, শিকার তার ব্যাপারে উদাসীন হয়েছে, তখনই আগে বেড়ে যায়। কখনও শীশ দিয়ে সেটাকে খুশী করে আর তার সামনে তার প্রিয় বস্তু এগিয়ে দেয়, তা সে এমনবাবে দেয় যেন সেটাকে মায়া করেই খাওয়ার জন্য দেয়, শিকার করার ইচ্ছে তার আদৌ নেই। এভাবে দাতা ও গ্রহীতার ভেতর প্রীতি বেড়ে যায়। এ প্রীতির শৃঙ্খল লোহার শিকরের চেয়ে শক্ত। এভাবে সেটা শিকারীর সহজ শিকারে পরিণত হয়। ঠিক এভাবেই যে ব্যক্তি নিজেকে জনগণের সামনে পেশ করতে চায় তার উচিত জনগণের পছন্দনীয় পোশাক, কথাবার্তা ও আচার-আচরণ অবলম্বন করা। তারপর আস্তে আস্তে তাদের কাছাকাছি হতে থাকবে আর ছল চাতুরীমুক্ত নিঃখাত প্রীতি ও ভালবাসা তাদের বিলিয়ে চলবে। তারা যেন ঘুনাক্ষরেও সন্দেহ করতে না পারে যে, তাঁর এ প্রীতি, অনুগ্রহ তাদের শিকার করার জন্যই দেখানো হচ্ছে। তাদের অন্তরে এটা মজবুত ভাবে বসিয়ে দিতে হবে যে, তাদের জন্য তার মত হিতাকাঙ্ক্ষী আর কেউ হতে পারবে না। এভাবে তাদের অন্তর যেন তার প্রীতিতে ভরপুর হয়ে যায়। ফলে যেন তারা তার ব্যাপারে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।
মোটকথা, রাষ্ট্রপতির এ সব ব্যাপার খুব লক্ষ্য রাখতে হবে। তার তরফ থেকে যেন এমন কাজ প্রকাশ না পায় যাতে উক্ত অবস্থার কোন পরিবর্তন ঘটায়। যদি কোন ভুলত্রুটি হয়ে যায়, তাহলে ভাল কিছু করে সংগে সংগে তার প্রতিকার করবে। তারপর বুঝিয়ে দেবে যে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সেটাকেই তাদের জন্যে ভালবেসে করা হয়েছিল এবং তাদের ক্ষরি জন্যে আদৌ করা হয়নি।
এ’তো গেল এক দিক। অপর দিকে যারা রাষ্ট্রপতির অবাধ্য হয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি সৃষ্টি করতে চায় তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে। পক্ষান্তরে যারা তার আনুগত্য মেনে নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয় সহযোগিতা করবে তাদের জন্য পদোন্নতি ও পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। তবে খেয়ানতকারী এবং অবাধ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদোন্নতি ও বেতন হ্রাসের ব্যবস্থা নিতে হবে।
মোটকথা, যে ব্যক্তি জনগণের অকল্যাণ করবে তার অকল্যাণ করতে হবে। তবে কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগে পরামর্শ সভায় তা আলোচনা করে তাদের বুঝিয়ে নিতে হবে যে, সে শাস্তি পাবার যোগ্য। রাষ্ট্রপতির বা কোন সরকারী কর্মকর্তার পক্ষে জনগণকে অনুর্বল বা অনাবাদী জমি চাষ করতে কিংবা আবাদের জন্য কোন দূর দূরান্তে যেতে বাধ্য করা উচিত হবে না।
রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই সুস্পষ্ট দৃষ্টিসম্পন্ন ও দূরদর্শী হতে হবে। জনগণের ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা হৃদয়ঙ্গম করার মত ক্ষমতা তার থাকতে হবে। সব ব্যাপারে তার ধারণা এরূপ স্বচ্ছ থাকতে হবে যেন তিনি সব কিছু স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন।
রাষ্ট্রপতির জন্য অপরিহার্য হচ্ছে আজকের কাজ কালকের জন্য ফেলে না রাখা। তেমনি কেউ যদি তার বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র চালায়, তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে শায়েস্তা না করা যায়, ততক্ষণ তার ক্ষান্ত হওয়া ঠিক নয়।
রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই যথোপযোগী চরিত্র ও গুণাবলীর অধিকারী হতে হবে। অন্যথায় তিনি রাষ্ট্রের জন্য আপদ ও বোঝা হয়ে দাঁড়াবেন। তিনি যদি সাহসী না হন তা হলে তাঁর প্রতিপক্ষের সাথে যথাযথভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হবেন। ফলে জনগণ তাকে হেয় চোখে দেখবে। তেমনি যদি তিনি ধৈর্যশীল না হন, তাহলে জনগণ তাঁর হাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। তেমনি যদি তিনি বিজ্ঞ না হন, তাহলে জনগণের কল্যাণ সাধনে তিনি অপারগ হবেন।
রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই জ্ঞানী, প্রাপ্ত বয়স্ক, স্বাধীন ও পুরুষ হতে হবে। আরও হতে হবে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণক্ষম। তাঁকে দৃষ্টি, শ্রবণ ও বাক শক্তির অধিকারী হতে হবে। জনগণ তাঁর ব্যক্তিত্ব ও খান্দানকে যেন মর্যাদার চোখে দেখে। তাঁর নিজের ও বাপ-দাদার এরূপ ভাল পরিচিতি থাকা চাই যা থেকে জনগণ তাঁর ওপর আস্থা স্থাপন করতে পারে। তারা যেন বিশ্বাস করতে পারে যে, তার দ্বারা দেশ ও জাতির যথার্থ কল্যাণ হবে।
রাষ্ট্রপতির এসব গুণাবলীর প্রয়োজনীয়তা জ্ঞানী মাত্রই উপলব্ধি করবেন। আর এ ব্যাপারে সকল বনী আদম একমত। যে দেশে আর যে সম্প্রদায়ের লোকই হোক না কেন, এ ব্যাপারে তাদের কোন মতানৈক্য নেই। কারণ তারা জানে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তা উপরিবর্ণিত চরিত্র ও গুণাবলী ছাড়া অর্জিত হতে পারে না। সে ক্ষেত্রে জনগণ স্বভাবতঃই তার প্রতি বিরূপ হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে গণ-অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়বে। যদি তারা প্রকাশ্যে কিছু নাও বলে, তথাপি তারা অসন্তোষের কারণে রাষ্ট্রীয় কাজে উদাসীন থাকবে।
তাই রাষ্ট্রপতির জন্য প্রয়োজন হল গণমনে তাঁর প্রভাব ফেলা ও তা সর্বক্ষণ অক্ষুণ্ন রাখা। তেমনি যে সব কাজ তাঁর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে সেগুলোর ব্যাপারে তাঁর সার্বক্ষণিক সতর্কতা প্রয়োজন। যে রাষ্ট্রপতি তাঁর প্রভাব সৃষ্টি করতে আর তা অক্ষুণ্ন রাখতে চান, তাঁকে অবশ্যই উপরোক্ত চরিত্র ও গুণাবলীর অধিকারী হতে হবে। তাছাড়া রাষ্ট্রনায়ক সুলভ সব ধরনের গুণাবলীর অধিকারী হতে হবে। তাছাড়া রাষ্ট্রনায়ক সুলভ সব ধরনের গুণাবলীই তাকে অর্জন করতে হবে। যেমন, সাহসিকতা, বিজ্ঞতা, বদান্যতা, ক্ষমাপরায়ণতা, ঔদার্য্য সার্বজনীন কল্যাণ প্রবণতা।
জনগণের ভেতরে প্রভাব বিস্তার করে তাদের মুঠোয় আনার জন্য রাষ্ট্রপতিকে শিকারীর ভূমিকা নিতে হবে। শিকারী যেরূপ জংগলে বিভিন্ন কলাকৌশলের মাধ্যমে হরিণ শিকার করে থাকে, ঠিক সেরূপ করতে হবে। শিকারী জংগলে গিয়ে যখন কোন হরিণ দেখতে পায়, তখন সে হরিণের স্বভাব ও মেজাজের উপযোগী পন্থা ও কলাকৌশল ভেবে নেয়। তারপর সে শিকারের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। যখন শিকার দৃষ্টিগোচর হয়, তখন সেটার চোখ-কান থেকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা চালায়। যখন সন্দেহ হয় যে শিকার তার উপস্থিতি টের পেয়েছে তখনই নিষ্প্রাণ পাথরের মত নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। যখন বুঝতে পায়, শিকার তার ব্যাপারে উদাসীন হয়েছে, তখনই আগে বেড়ে যায়। কখনও শীশ দিয়ে সেটাকে খুশী করে আর তার সামনে তার প্রিয় বস্তু এগিয়ে দেয়, তা সে এমনবাবে দেয় যেন সেটাকে মায়া করেই খাওয়ার জন্য দেয়, শিকার করার ইচ্ছে তার আদৌ নেই। এভাবে দাতা ও গ্রহীতার ভেতর প্রীতি বেড়ে যায়। এ প্রীতির শৃঙ্খল লোহার শিকরের চেয়ে শক্ত। এভাবে সেটা শিকারীর সহজ শিকারে পরিণত হয়। ঠিক এভাবেই যে ব্যক্তি নিজেকে জনগণের সামনে পেশ করতে চায় তার উচিত জনগণের পছন্দনীয় পোশাক, কথাবার্তা ও আচার-আচরণ অবলম্বন করা। তারপর আস্তে আস্তে তাদের কাছাকাছি হতে থাকবে আর ছল চাতুরীমুক্ত নিঃখাত প্রীতি ও ভালবাসা তাদের বিলিয়ে চলবে। তারা যেন ঘুনাক্ষরেও সন্দেহ করতে না পারে যে, তাঁর এ প্রীতি, অনুগ্রহ তাদের শিকার করার জন্যই দেখানো হচ্ছে। তাদের অন্তরে এটা মজবুত ভাবে বসিয়ে দিতে হবে যে, তাদের জন্য তার মত হিতাকাঙ্ক্ষী আর কেউ হতে পারবে না। এভাবে তাদের অন্তর যেন তার প্রীতিতে ভরপুর হয়ে যায়। ফলে যেন তারা তার ব্যাপারে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।
মোটকথা, রাষ্ট্রপতির এ সব ব্যাপার খুব লক্ষ্য রাখতে হবে। তার তরফ থেকে যেন এমন কাজ প্রকাশ না পায় যাতে উক্ত অবস্থার কোন পরিবর্তন ঘটায়। যদি কোন ভুলত্রুটি হয়ে যায়, তাহলে ভাল কিছু করে সংগে সংগে তার প্রতিকার করবে। তারপর বুঝিয়ে দেবে যে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সেটাকেই তাদের জন্যে ভালবেসে করা হয়েছিল এবং তাদের ক্ষরি জন্যে আদৌ করা হয়নি।
এ’তো গেল এক দিক। অপর দিকে যারা রাষ্ট্রপতির অবাধ্য হয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা ও অশান্তি সৃষ্টি করতে চায় তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে। পক্ষান্তরে যারা তার আনুগত্য মেনে নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয় সহযোগিতা করবে তাদের জন্য পদোন্নতি ও পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। তবে খেয়ানতকারী এবং অবাধ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদোন্নতি ও বেতন হ্রাসের ব্যবস্থা নিতে হবে।
মোটকথা, যে ব্যক্তি জনগণের অকল্যাণ করবে তার অকল্যাণ করতে হবে। তবে কারো বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগে পরামর্শ সভায় তা আলোচনা করে তাদের বুঝিয়ে নিতে হবে যে, সে শাস্তি পাবার যোগ্য। রাষ্ট্রপতির বা কোন সরকারী কর্মকর্তার পক্ষে জনগণকে অনুর্বল বা অনাবাদী জমি চাষ করতে কিংবা আবাদের জন্য কোন দূর দূরান্তে যেতে বাধ্য করা উচিত হবে না।
রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই সুস্পষ্ট দৃষ্টিসম্পন্ন ও দূরদর্শী হতে হবে। জনগণের ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা হৃদয়ঙ্গম করার মত ক্ষমতা তার থাকতে হবে। সব ব্যাপারে তার ধারণা এরূপ স্বচ্ছ থাকতে হবে যেন তিনি সব কিছু স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন।
রাষ্ট্রপতির জন্য অপরিহার্য হচ্ছে আজকের কাজ কালকের জন্য ফেলে না রাখা। তেমনি কেউ যদি তার বিরুদ্ধে গোপন ষড়যন্ত্র চালায়, তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে শায়েস্তা না করা যায়, ততক্ষণ তার ক্ষান্ত হওয়া ঠিক নয়।
পরবর্তী পর্ব
মানব সমাজের বিভিন্ন সংগঠন - ৬
পরামর্শ পরিষদ ও কর্মকর্তাদের গুণাবলী ও দায়িত্ব
মানব সমাজের বিভিন্ন সংগঠন - ৬
পরামর্শ পরিষদ ও কর্মকর্তাদের গুণাবলী ও দায়িত্ব


