শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩

ক্ষুধা ও তার ফযীলতে মিতাচার


উদর ও লজ্জাস্থানের খাহেশের প্রতিকার (পর্ব– ৫)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ✍🏼ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)

ক্ষুধা ও তার ফযীলতে মিতাচার

জানা উচিত, সকল অবস্থা ও চরিত্রের মধ্যে মধ্যবর্তিতাই চূড়ান্ত লক্ষ্য এবং স্বল্পতা ও বাহুল্য নিন্দনীয়। ক্ষুধার ফযীলত সম্পর্কে আমরা যা কিছু লিখে এসেছি, এতে কেউ যেন মনে না করে যে, এর বাহুল্যই উদ্দেশ্য। আসল কথা হচ্ছে, মানুষের মন যে সকল বস্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে কামনা করে এবং তাতে কিছু অনিষ্ট থাকে, সেখানে শরীয়ত অতিমাত্রায় নিষেধবাণী উচ্চারণ করে, যাতে মূর্খরা বুঝে নেয় যে, সর্বাবস্থায় বিষয়টি থেকে বেঁচে থাকাই উদ্দেশ্য এবং যথাসম্ভব মনের চাহিদার বিপরীত আমল করা লক্ষ্য। কিন্তু বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী ব্যক্তি বুঝে নেয়, মিতাচারের স্তরই কাম্য । উদাহরণতঃ অত্যধিক উদরপূর্তি কোন মনের চাহিদা হলে শরীয়ত তার সামনে পূর্ণমাত্রায় ক্ষুধার গুণ ও প্রশংসা বর্ণনা করে, যাতে মন কোনরূপে তার চাহিদা থেকে বিরত থেকে মিতাচারের স্তর অর্জন করে নেয়। কেননা, মনের চাহিদার সম্পূর্ণ মূলোৎপাটন সম্ভবপর নয়। অতএব এমন কোন সীমা অবশ্যই থাকা দরকার, যার আমল শরীয়তের দৃষ্টিতে প্রশংসনীয় হবে। উদাহরণতঃ রাত্রি জাগরণ ও রোযা সম্পর্কে শরীয়তে অতিমাত্রায় গুণকীর্তন করা হয়েছে। কিন্তু যখন রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম) জানলেন, কিছু সংখ্যক লোক সদাসর্বদা রোযা রাখে এবং সারারাত জেগে নামায পড়ে, তখন তিনি তাদেরকে নিষেধ করে দিলেন। এ থেকে জানা গেল, উদ্দেশ্য কেবল সমতার স্তর। সুতরাং খাওয়ার ব্যাপারে উত্তম ও মিতাচার হচ্ছে, এতটুকু খাবে, যদ্ধারা পাকস্থলী ভারী না হয় এবং ক্ষুধার কষ্ট অনুভূত না হয়। কেননা, খাদ্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে জীবন রক্ষা করা এবং এবাদতের শক্তি অর্জন করা। পাকস্থলী ভারী হয়ে গেলে যেমন এবাদত হতে পারে না, তেমনি ক্ষুধার কষ্টও অন্তরের কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অতএব এমনভাবে খাবে যাতে খাদ্যের বোঝা অনুভূত না হয়, যাতে ফেরেশতাদের অনুরূপ হওয়া যায়। ফেরেশতাদেরও খাদ্যের বোঝা ও ক্ষুধার কষ্ট মালুম। তাদের অনুসরণ করাই মানুষের জন্যে পূর্ণতার স্তর। ভোজনে তৃপ্তি ও ক্ষুধা থেকে কেউ নিষ্কৃতি পেতে পারে না। তাই উভয় অবস্থা থেকে অধিকতর দূরবর্তী স্তরটিই মধ্যবর্তী স্তর, যাকে সমতা বলা হয়। স্বল্পতা ও বাহুল্য থেকে মধ্যবর্তী স্তরে ফিরে যাওয়া এমন, যেমন লোহার একটি উত্তপ্ত বৃত্তকে মাটিতে রেখে একটি পিঁপড়াকে তার মধ্যস্থলে ছেড়ে দিলে পিঁপড়াটি বৃত্তের উত্তাপ থেকে আত্মরক্ষা করতে চতুর্দিক দিয়ে বের হয়ে যেতে চাইবে। কিন্তু সকল দিকেই উত্তাপ বিদ্যমান। সে কোন দিক দিয়ে বের হতে পারবে না এবং ইতস্ততঃ ছুটাছুটি করতে থাকবে। অবশেষে এই বৃত্তের ব্যাসার্ধে পৌঁছে থেমে সে সকল দিকের উত্তাপ থেকে অধিকতর দূরত্বে থাকবে। এমনিভাবে খাহেশও মানুষকে চতুর্দিক বেষ্টন করে রয়েছে। মানুষ পিঁপড়ার মত তার বৃত্তের মধ্যে পড়ে আছে। এই বৃত্ত অতিক্রম করে বের হয়ে যাওয়া মানুষের পক্ষে অসম্ভব। অথচ মানুষ ফেরেশতাদের অনুরূপ হতে চায়। এটা তখনই সম্ভব, যখন মানুষ খাহেশ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকে। সমতা সকল দিক থেকে সমান দূরে বিধায় সকল অবস্থা ও চরিত্রে সমতাই কাম্য হওয়া উচিত। নিম্নোক্ত হাদীসে এই সমতাই উদ্দেশ্য “মধ্যবর্তী বিষয়ই সর্বোত্তম”। নিম্নোক্ত আয়াতেও এই সমতার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে : “খাও, পান কর এবং অপচয় করো না।”


সুতরাং মানুষ যখন ক্ষুধা ও তৃপ্তি উভয়টি অনুভব করবে, তখন নফস হালকা থাকবে, এবাদত ও চিন্তা ভাবনা সহজ মনে হবে এবং আমল করতে সক্ষম হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে নফস অবাধ্য, খাহেশের প্রতি আগ্রহী এবং বাহুল্যের প্রতি ঝুঁকে থাকে বিধায় সমতা অর্জন করা সহজ হয় না এবং এতে কোন উপকারও হয় না। তখন বরং ক্ষুধা দ্বারা তাকে অধিক মাত্রায় পীড়িত করা উচিত; যেমন ঘোড়াকে পোষ মানানোর জন্যে প্রথম তাকে ক্ষুধার্ত ও পিপাসার্ত রাখা হয় এবং খুব কষাঘাত করা হয়। এরপর ঘোড়া পোষ মানে এবং প্রভুর ইচ্ছানুযায়ী কাজ করে। পোষ মানার পর ঘোড়াকে সকল কষ্ট থেকে মুক্তি দিয়ে সমতার পর্যায়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এই রহস্যের ভিত্তিতেই মুরশিদ মুরীদকে এমন কাজ করতে বলে, যা সে নিজে করে না। উদাহরণতঃ সে মুরীদকে ক্ষুধার্ত থাকতে অথবা খাহেশ বর্জন করতে আদেশ করে; অথচ সে নিজে ক্ষুধার্ত এবং খাহেশ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকে না। কেননা, সে আপন নফসের সংশোধন সমাপ্ত করেছে। এখন নফসকে কষ্ট দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই। অধিকাংশ অবস্থায় নফস খাহেশের পূজারী, দুষ্ট, অবাধ্য ও এবাদতবিমুখ হয় বিধায় তাকে ক্ষুধার্ত রাখাই সমীচীন। দুব্যক্তিই সর্বদা ক্ষুধার্ত থাকা হতে বিরত থাকে। এক, সিদ্দীক; তার ক্ষুধার্ত থাকার প্রয়োজন নেই; কারণ তার নফস সৎপথে প্রতিষ্ঠিত । দুই, নির্বোধ; সে নিজেকে সিদ্দীক মনে করে সংশোধনের উপযুক্ত মনে করে না। এটা একটা বড় ধোঁকা বৈ কিছু নয়। সে প্রায়ই কোন সিদ্দীককে এ ব্যাপারে পরওয়া না করতে দেখে নিজেও তেমনি করতে থাকে। দৃষ্টান্তস্বরূপ কোন রুগ্ন ব্যক্তি জনৈক রোগমুক্ত সুস্থ ব্যক্তিকে কোন বস্তু খেতে দেখে। এরপর সেও নিজেকে সুস্থ মনে করে সেই বস্তু খেয়ে ফেলে এবং মৃত্যুমুখে পতিত হয়।


রসূলে আকরাম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম)-এর জন্যেও খাদ্যের পরিমাণ এবং সময় নির্দিষ্ট ছিল না। হযরত আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেন, তিনি এত বেশী রোযা রাখতেন যে, আমরা মনে করতাম, বোধ হয় আর কখনও রোযা ছাড়বেন না। আবার কখনও রোযাবিহীন দিন এত বেশী হত যে, আমরা ধারণা করতাম, বোধ হয় আর কোন দিন রোযা রাখবেন না। তিনি গৃহে পৌঁছে খাবার আছে কি না জিজ্ঞেস করলে যদি “হাঁ” বলা হত, তবে খেয়ে নিতেন। নতুবা বলতেন : আজ তো আমি রোযা রেখেছি। এমনিভাবে তাঁর সামনে কোন খাদ্য পেশ করা হলে তিনি বলতেন : আমি তো রোযা রাখতে চেয়েছিলাম। আচ্ছা, নিয়ে এস। 

সহল তস্তরীকে কেউ জিজ্ঞেস করল : শুরুতে আপনার অবস্থা কিরূপ ছিল? জওয়াবে তিনি অভাবনীয় কষ্ট করার কথা উল্লেখ করলেন। এমনকি, তিনি বললেন : দীর্ঘ দিন আমি বড়ই গাছের পাতা খেয়ে জীবন যাপন করেছি। তিন বছর ডুমুর ফল চূর্ণ করে খেয়েছি এবং তিন বছরে তিন দেরহামের খাদ্য খেয়েছি। এরপর তাঁকে প্রশ্ন করা হল : বর্তমানে আপনার খাদ্য কি? তিনি বললেন : এখন কোন সীমা ও সময় নির্দিষ্ট নেই। এর অর্থ এই নয় যে, এখন অনেক খাই। বরং উদ্দেশ্য হচ্ছে, খাওয়ার কোন পরিমাণ ও সময় নির্দিষ্ট নেই। যে সময় যে পরিমাণ জরুরী এবং সমীচীন মনে করি, খেয়ে নেই।


হযরত মারুফ কারখীর কাছে লোকেরা উৎকৃষ্ট খাদ্য প্রেরণ করত। তিনি খেয়ে নিতেন। লোকেরা বলল : আপনার ভাই বশীর এরূপ খাদ্য খান না। তিনি বললেন : বশীরকে পরহেযগারী বাধা দেয়। আমাকে মারেফত প্রশস্ত করে রেখেছে। তিনি আরও বললেন : আমি আল্লাহর মেহমান। তিনি যখন খাওয়ান, খেয়ে নেই। যখন উপবাস রাখেন, সবর করি। আমার ওযর আপত্তি করার প্রয়োজন কি?


হযরত ইবরাহীম ইবনে আদহাম একদিন অনেক প্রকারের খাদ্য তৈরী করিয়ে কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দাওয়াত করেন। তাঁদের মধ্যে আওযায়ী এবং সুফিয়ান সওরীও ছিলেন। খাদ্য সামগ্রীর আড়ম্বর দেখে সুফিয়ান সওরী বললেন : হে আবু ইসহাক, আপনি কি অপব্যয়ের আশংকা করেন না? ইবরাহীম বললেন : খাদ্যের মধ্যে অপব্যয় হয় না। পোশাক-পরিচ্ছদ ও গৃহের আসবাবপত্রের মধ্যে অপব্যয় হয়।


অতএব যে ব্যক্তি শুনে ও অনুকরণ করে জ্ঞান অর্জন করে, সে প্রকৃত কারণ বুঝে না। সে ইবরাহীম ইবনে আদহামের এই অবস্থা শুনে; আবার মালেক ইবনে দীনারের এই অবস্থা দেখে যে, তাঁর গৃহে বিশ বছর পর্যন্ত নিমক আসেনি। আবার সিররী সকতী সম্পর্কে সে পাঠ করে যে, তাঁর নফস চল্লিশ বছর পর্যন্ত আঙ্গুরের নির্যাস খাওয়ার সাধ পোষণ করে; কিন্তু তিনি তা খাননি। এসব শুনে ও পাঠ করে এ ব্যক্তি এগুলোর মধ্যে পরস্পর বিরোধিতা দেখতে পায়। সে হয়রান হয়ে বিশ্বাস করতে থাকে, এই বুযুর্গগণের মধ্যে কেউ না কেউ নিশ্চিতই ভ্রান্ত ছিলেন। কিন্তু যে চক্ষুষ্মান ব্যক্তির সামনে জ্ঞানের সকল রহস্য উন্মোচিত, সে জানে, সকলেই সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। তবে অবস্থা ও সময়ভেদে তাঁদের আমল বিভিন্নরূপ ছিল। এসব বিভিন্ন অবস্থা শুনে সাবধানী ব্যক্তি বুঝে নেয়, সে মারেফতের স্তরে পৌঁছেনি। তাই এই বুযুর্গানের মত বেপরওয়া হওয়া তার উচিত নয়। তার নফস মালেক ইবনে দীনার অথবা সিররী সকতীর নফসের মত আনুগত্যশীল নয়, যাঁরা পার্থিব আনন্দ বিসর্জন দিয়েছিলেন। ফলে সে তাঁদেরই অনুসরণ করতে থাকে। পক্ষান্তরে দাম্ভিক অহংকারী ব্যক্তি এভাবে চিন্তা করে- আমার নফস ইবরাহীম ইবনে আদহাম ও মারুফ কারখীর নফস অপেক্ষা অধিক নাফরমান নয়।

অতএব আমিও তাঁদের অনুসরণ করে খাদ্যের নিয়মনীতি শিকায় তুলে রাখব। আমিও আল্লাহর মেহমান। সুতরাং বাছবিচারের প্রয়োজন নেই। এক্ষেত্রে নির্বোধদের সাথে সাথে শয়তানেরও অনেক দখল আছে। খাদ্য গ্রহণ করা না করা এবং শখের বস্তু খাওয়া না খাওয়া কেবল এমন ব্যক্তির জন্যেই শোভনীয়, যে বেলায়েত ও নবুওয়তের নূর দ্বারা দেখে। এই নূর তখনই অর্জিত হয় যখন কেউ নফসের খাহেশ থেকে মুক্ত হয়ে যায় এবং অভ্যাসের দাসত্ব থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে সে যখন খায়, তখনও তাতে কোন মহৎ নিয়ত থাকে এবং যখন না খায়, তখনও তা নিয়ত থেকে খালি হয় না। এমতাবস্থায় খাওয়া না খাওয়া উভয়টি আল্লাহর ওয়াস্তে হবে। এ ব্যাপারে হযরত ওমর (রাঃ)-এর সাবধানতা দৃষ্টির সামনে রাখা উচিত। তাঁর জানা ছিল, রসূলে আকরাম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম) মধু পছন্দ করতেন এবং তা সাগ্রহে খেতেন। কিন্তু হযরত ওমর (রাঃ) আপন নফসকে রসূলূল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়া আলিহী ওয়া সাল্লাম)-এর নফসের অনুরূপ মনে করেননি। ফলে লোকেরা যখন তাঁর সামনে মধুর ঠাণ্ডা শরবত পেশ করল, তখন তিনি পাত্রটি আপন হাতের মধ্যে ঘুরাচ্ছিলেন আর বলছিলেন : “এটা পান করলে এর স্বাদ কিছুক্ষণের মধ্যে বিলীন হয়ে যাবে; কিন্তু এর হিসাব নিকাশ বাকী থেকে যাবে”। এরপর আমি পান করব না' বলে পাত্রটি ফিরিয়ে দিলেন। 

মুরীদকে এসব রহস্য সম্পর্কে অবগত না করাই মুরশিদের উচিত। তাকে কেবল ক্ষুধার্ত থাকতে বলবে এবং সমতার কথাও বলবে না। কারণ, সে সমতা অর্জন করতে কিছু ত্রুটি করবে। সুতরাং চূড়ান্ত পর্যায়ের ক্ষুধার কথা বললে কমপক্ষে সমতা অর্জিত হয়ে যাবে। এ কথাও মুরীদকে বলবে না যে, কামেল সাধক সাধনা থেকে মুক্ত ও বেপরওয়া হয়ে যায়। এতে শয়তান সর্বক্ষণ তাকে কুমন্ত্রণা দেবে - তুমি তো কামেল হয়ে গেছ। এতে কোন ত্রুটি নেই। সবই অর্জিত হয়ে গেছে। 

হযরত ইবরাহীম খাওয়াস মুরীদকে সাধনা করতে বললে নিজেও তার সাথে সাধনা করতেন, যাতে সে মনে না করে যে, নিজে তো কিছু করেন না, আমাকে করতে বলেন।


প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যে সমতা কোনটি, তা এক গোপন বিষয়। তাই কোন অবস্থাতেই যেন সাবধানতা হাতছাড়া না হয়। হযরত ওমর (রাঃ) একবার আপন পুত্র আবদুল্লাহকে দেখলেন, সে গোশত ও ঘি রুটির সাথে খাচ্ছে। তিনি তৎক্ষণাৎ তাকে দোররা দিয়ে মারলেন এবং বললেন : কোন দিন দুধ দিয়ে, কোন দিন ঘি দিয়ে, কোন্‌দিন তেল দিয়ে, কোনদিন লবণ দিয়ে এবং কোন দিন কোন কিছু ছাড়াই শুকনো রুটি খাবে। এ থেকে সমতা কাকে বলে জানা গেল। সব সময় গোশত এবং খাহেশের বস্তু খাওয়া বাহুল্য ও অপব্যয়ের মধ্যে দাখিল। পক্ষান্তরে গোশত সম্পূর্ণরূপে বর্জন করা স্বল্পতা ও দীনতার মধ্যে গণ্য। মাঝে মাঝে খেয়ে নেয়া মধ্যবর্তী স্তর ও সমতা।


(৬) রিয়ার বিপদাপদ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বিবাহ (৩৫) কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ

বিবাহ  (পর্ব – ৩৫)  📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)  কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ — পিতামাতার উপর কন্যা সন্তানের হক তাদেরক...