নফল নামায - (পর্ব - ১০)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
বুধবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ
বুধবার রাত্রির (মঙ্গলবার দিনগত) নামাজ-
(১) হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর রেওয়ায়েতে রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি বুধবার রাতে তিন সালাম সহকারে ছয় রাকআত নামায পড়ে-
প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু লিল্লাহর পর (কুলিল্লাহুম্মা মালিকিল মুলকি) এ থেকে দু’আয়াত পর্যন্ত পাঠ করে এবং
নামাযান্তে বলে “জাযাল্লাহু মুহাম্মাদান আন্না মা-হুয়া আহদাহ্” (আল্লাহ মুহাম্মদকে আমাদের পক্ষ থেকে যোগ্য প্রতিদান দিন।)
আল্লাহ তার সত্তর বছরের গোনাহ ক্ষমা করবেন এবং তার জন্যে দোযখ থেকে পরিত্রাণপত্র লেখে দেবেন।
(২) আরও বর্ণিত আছে, যেব্যক্তি বুধবার রাতে দু'রাকআত নামায পড়ে- প্রথম রাকআতে আলহামদু একবার , সূরা ফালাক দশ (১০) বার এবং দ্বিতীয় রাকআতে আলহামদুর পর সূরা নাস দশ (১০) বার।
সালামের পর দশ (১০) বার এস্তেগফার এবং দশ (১০) বার দরূদ শরীফ পাঠ করে, তার সওয়াব লেখার জন্যে প্রত্যেক আকাশ থেকে সত্তর হাজার ফেরেশতা অবতরণ করে এবং কেয়ামত পর্যন্ত তার সওয়াব লেখতে থাকে।
বুধবার দিনের নামাজ-
হযরত মুআ'য ইবনে জাবাল (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি বুধবারে দ্বিপ্রহরের পূর্বে (১২) বার রাকআত নামায পড়ে এবং প্রত্যেক রাকআতে >আলহামদু ও আয়াতুল কুরসী এক একবার,
>সূরা এখলাস, সূরা ফালাক ও নাস তিন বার করে পাঠ করে,
তাকে আরশের কাছ থেকে ফেরেশতারা ডাক দিয়ে বলে হে আল্লাহর বান্দা আবার আমল কর। তোমার পূর্ব গোনাহ ক্ষমা করা হয়েছে। এ ছাড়া আল্লাহ তাআলা তার কবরের অন্ধকার ও সংকীর্ণতা ও কেয়ামতের কঠোরতা দূরীভূত করে দেবেন। সেদিন থেকেই তার জন্যে একজন পয়গম্বরের আমল উপরে উঠতে থাকবে।
পরবর্তী পর্ব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন