নফল নামায - (পর্ব - ১৩)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
রজবের নামাজ
রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি রজব মাসের প্রথম বৃহস্পতিবারে রোযা রাখে, অতঃপর মাগরিব ও এশার মাঝখানে দু'দু'রাকআত করে বারো রাকআত নামায পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু একবার, সূরা কদর তিন বার, সূরা এখলাস বারো (১২) বার এবং
নামাযান্তে এই দরূদ পড়ে
(- اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدِ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ )
>“আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন্-নাবিয়্যিল উম্মী ওয়া ‘আলা আলিহি” (৭৫ বার)
প্রথম সেজদায়- (سُبُوحَ قَدُوسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ-)
>“সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতিহ ওয়ার- রূহ” (৭০ বার)
অতঃপর মাথা তুলে (رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَتَجَاوِرُ عَمَّا تَعْلَمُ إِنَّكَ أَنْتَ الْعَلِيُّ الْأَعْظَمُ)
>"রব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়াতাযাওরান আম্মা তা'লামু ইন্নাকা আন্তা আলিয়্যুল আযীম" (৭০ বার)
দ্বিতীয় সেজদায়ও - (سُبُوحَ قَدُوسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ-)
>“সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতিহ ওয়ার- রূহ” (৭০ বার)
এর পর সেজদার মধ্যেই নিজের প্রয়োজন প্রার্থনা করে, তার সকল প্রয়োজন পূর্ণ করা হবে। তার সব গোনাহ্ মার্জনা করা হবে যদিও তা সমুদ্রের ফেনা, বালুকার সংখ্যা, পাহাড়ের ওজন এবং বৃক্ষের পত্রসম হয়। কেয়ামতের দিন সে তার পরিবারের সাত'শ মানুষের শাফায়াত করবে, যারা দোযখের যোগ্য হবে।
পরবর্তী পর্ব
শাবানের নামায তথা সবেবরাতের নামাজ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন