বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪

নফল নামায (পর্ব - ১২) তারাবীহ্ নামাজ





নফল নামায - (পর্ব - ১২)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)

তারাবীহ্ নামাজ
তারাবীহ বিশ রাকআত। এটা সুন্নতে মোআক্কাদা। তবে দুই ঈদের নামাযের তুলনায় এর উপর জোর কম। তারাবীহ জামাআতে পড়া উত্তম, না একা পড়া- এ বিষয়ে আলেমগণের মতভেদ আছে। রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এ নামায দুই অথবা তিন রাতে জামাআত সহকারে পড়েছিলেন। এর পর জামাআতে পড়েননি এবং বলেন আমার আশংকা হয়, এটা তোমাদের উপর ওয়াজিব না হয়ে যায়। হযরত ওমর (রাঃ) মুসলমানদেরকে তারাবীহের জামাআতে একত্রিত করে দেন। কেননা, ওহী বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে তা ওয়াজিব হয়ে যাওয়ার আশংকা ছিল না। সুতরাং কতক আলেম হযরত ওমর (রাঃ)-এর এ কাজের কারণে বলেন, তারাবীহ জামাআতে পড়া উত্তম। এ ছাড়া সকলের সমবেত হওয়ার মধ্যে বরকত আছে। একাকিত্বে মাঝে মাঝে আলস্যও স্পর্শ করে। সমাবেশ দেখলে মন প্রফুল্ল হয়। কেউ কেউ বলেন তারাবীহ একা পড়া উত্তম। রাসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আরও বলেন : আমার এ মসজিদে এক নামায অন্য মসজিদে এক'শ নামাযের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এসব নামাযের চেয়ে উত্তম সেই ব্যক্তির নামায, যে তার গৃহের কোণে দু'রাকআত পড়ে এবং তার খবর আল্লাহ ব্যতীত কেউ রাখে না। এর কারণ, রিয়া ও বানোয়াট অধিকতর সমাবেশের মধ্যেই হয়ে থাকে। একান্তে মানুষ এগুলো থেকে নিরাপদ থাকে। কিন্তু পছন্দনীয় উক্তি ইচ্ছে, তারাবীহ জামাআতে পড়াই ভাল। কেননা, কতক নফল নামায জামাআত সিদ্ধ। তারাবীহর প্রকাশও কর্তব্য।

পরবর্রতী পর্ব

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বিবাহ (৩৫) কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ

বিবাহ  (পর্ব – ৩৫)  📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)  কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ — পিতামাতার উপর কন্যা সন্তানের হক তাদেরক...