হযরত রাসূলে পাক (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর নাম শ্রবণ করিবামাত্র তাহারা জোর গলায় চীৎকার করিয়া অঝোর ধারায় ক্রন্দন করিয়া বলিবে, “হে জিব্রাইল (আঃ)! আমাদের সালাম ও দুরবস্থার কথা অতি সত্ত্বর হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-কে খুলিয়া বলুন। আর তিনি যেন আমাদের মুক্তিলাভের ব্যবস্থা করেন, এই কথাও বলুন।”
তারপর হযরত জিব্রাইল (আঃ) আল্লাহ পাকের সমীপে উপস্থিত হইলে আল্লাহ তাহাকে জিজ্ঞাসা করিবেন, “হে জিব্রাইল! উম্মতে মুহাম্মদীর অবস্থা কিরূপ প্রত্যক্ষ করিলে?” জিব্রাইল (আঃ) ফরিয়াদ করিবেন, “হে আল্লাহ! তাহাদের সঙ্কটাবস্থা ও সংকীর্ণতা সম্বন্ধে আপনিই ভাল জানেন।”
পুনরায় আল্লাহ পাক তাহাকে জিজ্ঞাসা করিবেন, “তাহারা কিছু আরজ করিয়াছে কি?" তিনি বলিবেন, “হে আল্লাহ! তাহারা তাহাদের নবী (সঃ) এর নিকট সালাম জানাইয়া তাহাদের দুরবস্থার খবর জানাইতে অনুরোধ করিয়াছে।”
আল্লাহ পাক তখন জিব্রাইল (আঃ) -কে নির্দেশ দিবেন, “যাও অতি সত্বর তাহাদের নবীর নিকট তাহাদের দুঃসংবাদ জানাও।” তখন জিব্রাইল (আঃ) ক্রন্দনরত অবস্থায় হুযুর করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর সমীপে হাজির হইবেন। তখন হুযুর করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) তুবা বৃক্ষের নীচে সাদা মুক্তার নির্মিত তাঁবুতে অবস্থান করিবেন। উক্ত তাঁবুতে লোহিত সোনার কপাটযুক্ত চারি সহস্র দরওয়াজা থাকিবে। হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) তাঁহাকে ক্রন্দনের কারণ জিজ্ঞাসা করিলে প্রত্যুত্তরে তিনি বলিবেন, “হে প্রিয় বন্ধু মুহাম্মদ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)! যাহা আমি অবলোকন করিয়াছি যদি তাহা আপনি দর্শন করিতেন তাহা হইলে আপনি আমা হইতে অধিক ক্রন্দন করিতেন। আমি আপনার পাপী উম্মতদের নিকট হইতে আগমন করিয়াছি। তাহারা কঠিন আযাবে নিপতিত রহিয়াছে। তাহারা আপনাকে সালাম জানাইয়াছে এবং তাহাদের দুরবস্থার খবর বলিতে অনুরোধ করিয়াছে এবং তাহারা আপনার পবিত্র নাম স্মরণ করিয়া ডাকিতেছে।”
আল্লাহ পাকের নির্দেশে হুযুর করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) তাহাদের ডাক শ্রবণ করিয়া বলিবেন, “হে আমার অনুসারীগণ! আমি এখনই তোমাদের সাহায্যের জন্য আগমন করিতেছি।" তারপর নবী পাক (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আরশে মোয়াল্লার নীচে সিজদায় পড়িয়া ক্রন্দন শুরু করিবেন। অপরাপর নবীগণও সেখানে হাজির হইয়া আল্লাহ পাকের তাসবীহ্ পাঠে নিমগ্ন হইবেন, তবে তাহাদের কেহই মহানবী (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম )এর সমতুল্য তাসবীহ পাঠ করিতে পারিবেন না। আল্লাহ পাক তখন এরশাদ করিবেন, “হে প্রিয় হাবীব! আপনি মস্তক উত্তোলনপূর্বক মুনাজাত ও সুপারিশ করুন; আপনার সুপারিশ কবুল করা হইবে।”
তখন নবী পাক (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) ফরিয়াদ করিবেন, “হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাহগার উম্মতের উপর আযাবের নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন; কিন্তু আমি তাহাদের মাগফেরাত কামনা করিতেছি। আপনি আমার সুপারিশ কবুল করুন।”
আল্লাহ পাক তাঁহার প্রার্থনা কবুল করিয়া নির্দেশ দিবেন যে, “তাহাদের নিকট আমার সালাম পৌছাইয়া দিন এবং কালেমা পাঠকারীদিগকে দোযখের বাহিরে লইয়া আসুন।” তখনই নবী পাক (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) অন্যান্য নবীগণের সমভিব্যহারে দোযখের দিকে যাত্রা করিবেন এবং দোযখের দারোগা হযরত মালেক (আঃ) তাহাদিগকে দর্শন করিয়া খোশ আমদেদ জ্ঞাপন করিবেন।
হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) হযরত মালেক (আঃ)-এর নিকট স্বীয় অপরাধী উম্মতগণের খবর জিজ্ঞাসা করিলে প্রত্যুত্তরে হযরত মালেক (আঃ) বলিবেন, “তাহাদের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন এবং তাহারা. অতিশয় সংকীর্ণতার মধ্যে নিপতিত রহিয়াছে।” হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) তাহাকে দোযখের দ্বার খুলিবার জন্য বলিবেন।
দোযখের দ্বার খুলিবার সঙ্গে সঙ্গে পাপীগণ হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখিয়া ডাকিতে শুরু করিবে এবং বলিবে, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! দোযখের আগুন আমাদের গোশ্ত পোশত হাড় জ্বালাইয়া দিয়াছে। আপনি এতদিনই আমাদের কথা বিস্মরণ ছিলেন?”
হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলিবেন-“আমি প্রকৃতই তোমাদের খবর জানিতাম না।” তারপর নবী পাক (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) তাহাদিগকে আগুনে পোড়া কয়লার মত দোযখ হইতে বাহিরে আনিয়া বেহেশতের নহরে হায়াতে গোসল করাইবেন। ফলে তাহারা নধর কান্তি যুবকের রূপ পরিগ্রহ করিবে। তাহাদের শরীর পশম ও গণ্ডদেশে দাড়ি থাকিবে না। তবে আঁখিদ্বয় সুরমামণ্ডিত ভ্রূদ্বারা সুসজ্জিত থাকিবে। তাহাদের মুখমণ্ডল হইবে পূর্ণ শশী কলার মত সমুজ্জ্বল ।
কিন্তু তাহাদের কপালে এই লেখা থাকিবে যে, “তাহারা দোযখবাসী ছিল, দয়াময় আল্লাহ পাক তাহাদিগকে মুক্তিদান করিয়াছেন।”তারপর তাহারা সুখময় বেহেশতে দাখিল হইবে, তবে কপালের চিহ্নের দরুন সর্বদা ম্রিয়মান থাকিবে। তাহারা আল্লাহ পাকের সমীপে উক্ত চিহ্ন মুছিয়া দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করিবে। পরিশেষে আল্লাহ পাক ইহা বিলীন করিয়া দিবেন আর তাহারা পরমানন্দে বেহেশতে বাস করিবে। আর কাফেরগণ ঈমানদারগণের মুক্তিলাভ প্রত্যক্ষ করিয়া অনুশোচনা সহকারে বলিবে, "হায়! আমরাও যদি মুসলমান হইতাম!” এই প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক এরশাদ করিয়াছেন, “কাফেরগণ আকাঙ্ক্ষা করিবে যদি তাহারাও মুসলমান হইত।"
হুযুরে পাক (সঃ) এরশাদ করিয়াছেন যে, অবশেষে আল্লাহ পাক মোটাতাজা দুম্বার আকারে মৃত্যুকে বেহেশত ও দোযখের মধ্যখানে উপস্থিত করিয়৷ বেহেশতীদিগকে লক্ষ্য করিয়া বলিবেন, “তোমরা মউতকে চিনিয়াছ কি?" তাহারা তখন মউতকে চিনিতে সক্ষম হইবে। পুনরায় আল্লাহ পাক দোযখীদিগকে লক্ষ্য করিয়া বলিবেন, “তোমরাও মৃত্যুকে চিনিতে পারিয়াছ কি?"
তাহারাও মউতকে চিনিতে সক্ষম হইবে। তারপর বেহেশত ও দোযখের মধ্যস্থলে মৃত্যুকে যবেহ করা হইবে। আর বেহেশতীদিগকে বলা হইবে, “হে বেহেশ্তীগণ! অদ্য হইতে সুখ উপভোগ কর। তোমাদের আর মৃত্যু হইবে না। আর হে দোযখীগণ! তোমরা আজ হইতে চিরকাল দোযখের আযাব ভোগ করিবে। তোমাদের আর মৃত্যু হইবে না।” যেমন, আল্লাহ পাক ঘোষণা করিয়াছেন, “হে মুহাম্মদ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)! কাফেরদিগকে সেই অনুতাপের দিনের ভয় প্রদর্শন করুন, যেদিন আল্লাহ পাক আযাবের নির্দেশ ঘোষণা করিবেন।”
হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আরও এরশাদ করিয়াছেন যে, কিয়ামতের দিন দোযখকে টানিয়া আনয়ন করা হইবে। তখন ইহার ভীতিপ্রদ বিকট চীৎকার ও আওয়াজ শ্রবণ করিয়া প্রত্যেক সম্প্রদায়ের মানুষ ভীত কলেবরে নিজ হাঁটুর উপর বসিযা থাকিবে। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক এরশাদ করিয়াছেন, “হে হাবীব (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)! আপনি প্রত্যেক সম্প্রদায়কে হাঁটুর উপর বসিয়া থাকিতে প্রত্যক্ষ করিবেন।” আল্লাহ পাক আরও ঘোষণা করিয়াছেন, “প্রত্যেক সম্প্রদায়কে সেদিন তাহার কৃতকর্মের প্রতি ডাকা হইবে এবং আমল অনুযায়ী প্রতিফল দেওয়া হইবে।” আর তাহারা দোযখের প্রতি লক্ষ্য করিবে এবং পাঁচশত বৎসরের দূরত্ব হইতে ইহার গুরু গম্ভীর আওয়াজ শ্রবণ করিবে।
এই প্রসঙ্গে আল্লাহ পাক ঘোষণা করিয়াছেন, “উহার ভয়ঙ্কর ও বিকট আওয়াজ তাহারা পাঁচশত বৎসরের দূরত্ব হইতে শুনিতে পাইবে।” এই সঙ্কট মুহূর্তে নবী রাসূলগণ 'ইয়া নাফসি' 'ইয়া নাফ্সি বলিয়া ডাকিতে থাকিবেন। হযরত ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ, হযরত মূসা কলিমুল্লাহও 'ইয়া নাফ্সি, ‘ইয়া নাফ্সি' বলিতে থাকিবেন; কিন্তু আমাদের প্রিয়নবী সাইয়্যেদুল মুরসালীন আল্লাহর হাবীব এই কঠিন মুহূর্তেও আমাদের কথা বিস্সৃত হইবেন না, তিনি সেই সময় আল্লাহ পাকের নিকট ‘ইয়া উম্মতি' ‘ইয়া উম্মতি' বলিয়া মুনাজাত করিবেন।
আর যখন দোযখকে সমীপবর্তী করা হইবে, তখন আঁ হযরত (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলিলেন, “হে আগুন! নামাযী বান্দাদের উছিলায় অথবা দাতাদের উছিলায়, অথবা ধার্মিকদের উছিলায় অথবা রোযাদারদের উছিলায় নির্দিষ্টস্থানে ফিরিয়া যাও।” ইহাতেও যখন আগুন প্রত্যাবর্তন করিবে না, তখন হযরত জিব্রাইল (আঃ) বলিলেন, “হে হযরত মুহাম্মদ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আপনি এইকথা বলুন, “হে আগুন! তাওবাহকারীদের উছিলায় অথবা তাহাদের চোখের পানির উছিলায় অথবা গুনাহগারদের অনুতাপ ও ক্রন্দনের উছিলায় নিজস্থানে ফিরিয়া যাও।” এইকথা বলিবার সঙ্গে সঙ্গে অগ্নি নিজের স্থানে প্রত্যাবর্তন করিবে। তারপর হযরত জিব্রাইল (আঃ) গুনাহগারদের চোখের পানি আনয়ন করতঃ দোযখে ছিটাইয়া দিলে উহা নিভিয়া যাইবে, যেমন পানি সিঞ্চনে আগুন নির্বাপিত হইয়া যায়।
নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করিয়াছেন যে, রোজ কিয়ামতে যখন সমস্ত সৃষ্টজীব হাশর মাঠে জড়ো হইবে তখন দোযখ ইহার সমস্ত দ্বার খুলিয়া তথায় উপস্থিত হইবে এবং হাশরবাসীদের পূর্বে, পশ্চিমে, উত্তরে, দক্ষিণে ও নীচের দিক হইতে পরিবেষ্টন করিয়া ফেলিবে। তখন হাশরবাসীগণ আঁ হযরত (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট ফরিয়াদ জানাইতে থাকিবে। সেই সময় হযরত জিব্রাইল (আঃ) হুযুর পাক (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলিবেন, যেন তিনি স্বীয় পবিত্র মস্তকের ধূলাবালি নির্বিঘ্নে উহাতে ঝাড়িয়া ফেলেন। তারপর আল্লাহ পাক হুযুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর মাথার ধূলাবালি দ্বারা একখণ্ড বৃষ্টি বহনকারী মেঘমালা সৃষ্টি করতঃ ঈমানদারদিগকে ছায়া প্রদান করিবেন।
হযরত জিব্রাইল (আঃ)-এর পরামর্শ অনুযায়ী নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) দাড়ি মোবারক ঝাড়িয়া দিলে আল্লাহ পাক ঐগুলি দ্বারা দোযখ এবং তাহাদের মধ্যবর্তী স্থানে একটি দেয়াল তৈরী করিয়া দিবেন। আবার হযরত জিব্রাইল (আঃ) -এর পরামর্শ অনুসারে হযরত নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় দেহ মোবারকের ধূলি-বালি ঝাড়িয়া দিবেন। ফলে ঐগুলি দ্বারা আল্লাহ পাক তাহাদের পায়ের নীচে এমন ফরাশ বিছাইয়া দিবেন যাহাতে দোযখ তাহাদিগকে স্পর্শও করিতে সক্ষম হইবে না।
আঁ হযরত (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আরও এরশাদ করিয়াছেন, রোজ কিয়ামতে একজন লোককে আল্লাহ পাকের সমীপে উপস্থিত করা হইবে। তাহার পাপরাজি নেক হইতে অনেক বেশী হইবে। এইজন্য আল্লাহ পাক তাহাকে দোযখে নিক্ষেপের নির্দেশ দিবেন। তখন তাহার চক্ষুর একটি ভ্রূ আল্লাহ পাকের নিকট আরজ করিয়া বলিবে, “ইয়া আল্লাহ! আপনার হাবীব হযরত মুহাম্মদ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করিয়াছিলেন, যাহার চক্ষু আল্লাহর ভয়ে অশ্রুপাত করিয়াছে, আল্লাহ পাক সেই চক্ষুকে দোযখের আগুনের জন্য হারাম করিয়া দিয়াছেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ পাকের ভয়ে অশ্রুপাত করিয়া একটি পশমও সিক্ত করিয়াছে, আল্লাহ পাক তাহাকে উহার বদলায় মাফ করিবেন।” হে আল্লাহ! আমি আপনার ভয়ে অশ্রুপাত করিয়াছি। অতএব আমাকে দোযখের লেলিহান শিখা হইতে বাহির করিয়া দিন।”
অন্য এক বর্ণনায় আছে, সে বলিবে, “আমাকে মাফ করুন।” অতএব আল্লাহ পাক তাহাকে সেই ভ্রূর উছিলায় ক্ষমা করিয়া দিবেন। তখন আল্লাহ পাকের পক্ষ হইতে কেহ ঘোষণা করিবে, “অমুকের ছেলে অমুককে শুধু কেবল ভ্রূর উছিলায় ক্ষমা করা হইয়াছে।”

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন