সুফিদের শ্রেণিবিন্যাস—
তাসাওউফের মতে সুফী তিন ভাগে বিভক্ত।
(১) যে স্বীয় সত্তাকে সত্যের মাঝে বিলীন করে দেয় এবং যার মধ্যে কোন ধরনের অপবিত্রতা ও সংকীর্ণতা না থাকে সে সুফী।
(২) যে সাধন-ভজন দ্বারা এমন স্তর লাভ করার চেষ্টা করে এবং তার চাহিদা অনুযায়ী নিজে নিজকে এবং নিজের আচার ব্যবহারকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করে তাকে মুতাসাওয়েফ বলা হয়।
(৩) যে ব্যক্তি পৃথিবীর ধনসম্পদ; মানসম্মান অর্জন করার উদ্দেশ্যে সুফিদের বেশ ধারণ করে, অথচ তাসাউফের সাথে তার কোন সম্পর্কই নেই তাকে ‘মুসতাসাওয়েক’ বলা হয়।
এই তৃতীয় প্রকারের লোকদের ব্যাপারে সুফিদের অভিমত হলো: এরা মাছির মতো হীন এবং ঘৃণিত, পার্থিব লোভ-লালসার দাস। নেকড়ে বাঘ যেমন ছাগ পালের মাঝে ঢুকে তাদের ধ্বংস সাধন করে এরাও তেমনি জনসাধারণের সাথে মেলামেশা করে তাদের ঈমান নষ্ট করে।
পরবর্তী পর্ব—
তাসাউফের আবশ্যকতা
তাসাওউফের মতে সুফী তিন ভাগে বিভক্ত।
(১) যে স্বীয় সত্তাকে সত্যের মাঝে বিলীন করে দেয় এবং যার মধ্যে কোন ধরনের অপবিত্রতা ও সংকীর্ণতা না থাকে সে সুফী।
(২) যে সাধন-ভজন দ্বারা এমন স্তর লাভ করার চেষ্টা করে এবং তার চাহিদা অনুযায়ী নিজে নিজকে এবং নিজের আচার ব্যবহারকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করে তাকে মুতাসাওয়েফ বলা হয়।
(৩) যে ব্যক্তি পৃথিবীর ধনসম্পদ; মানসম্মান অর্জন করার উদ্দেশ্যে সুফিদের বেশ ধারণ করে, অথচ তাসাউফের সাথে তার কোন সম্পর্কই নেই তাকে ‘মুসতাসাওয়েক’ বলা হয়।
এই তৃতীয় প্রকারের লোকদের ব্যাপারে সুফিদের অভিমত হলো: এরা মাছির মতো হীন এবং ঘৃণিত, পার্থিব লোভ-লালসার দাস। নেকড়ে বাঘ যেমন ছাগ পালের মাঝে ঢুকে তাদের ধ্বংস সাধন করে এরাও তেমনি জনসাধারণের সাথে মেলামেশা করে তাদের ঈমান নষ্ট করে।
পরবর্তী পর্ব—
তাসাউফের আবশ্যকতা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন