রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫

হজ্জ (১৪) তওয়াফে রুকন



হজ্জ (পর্ব – ১৪)

📚সৌভাগ্যের পরশমনি ✍🏻ইমাম গাজ্জালী(রহ.)


তওয়াফে রুকন 

তৎপর মক্কা শরীফে যাইয়া তওয়াফে রুকন করিবে। ঈদের পূর্বরাত্রির অর্ধাংশ অতিবাহিত হইলেই তওয়াফে রুকনের সময় আরম্ভ হয়। কিন্তু ঈদের দিন করাই উত্তম। তওয়াফ রুকনের শেষ সময়ের কোন সীমা নির্দিষ্ট নাই। যত বিলম্বেই এই তওয়াফ করা হউক না কেনইহা নষ্ট হইবে না। কিন্তু ইহা না করা পর্যন্ত দ্বিতীয় তাহলুল হাসিল হইবে না এবং স্ত্রী-সহবাস  শিকার হারাম থাকিয়া যাইবে। পূর্ববর্ণিত তওয়াফে কুদূমের নিয়মে তওয়াফে রুকন শেষ করিলেই হজ্জ সমাপ্ত হইল। তখন হাজীগণের জন্য স্ত্রী-সহবাস এবং শিকারও দুরস্ত হইবে। ইতঃপূর্বে সাঈ করা হইয়া থাকিলে এখন আর করিতে হইবেনা। অন্যথায় সাঈয়ে রুকন এই তওয়াফের পরে করিবে। প্রস্তর নিক্ষেপমস্তক মুণ্ডন এবং কাবাশরীফের তওয়াফ করিলে হজ্জ পূর্ণ হইল এবং ইহরামের বন্ধন মুক্ত হইল। ইহরাম মুক্ত হইলেও আয়‍্যামে তাশরীকের শেষ পর্যন্ত প্রস্তর নিক্ষেপ এবং মিনাবাজারে রাত্রিযাপন করিতে হয়। সুতরাং তওয়াফ  সাঈ সমাধা করিয়া ঈদের দিনেই মিনাবাজারে ফিরিয়া আশা আবশ্যক। মিনায় রাত্রিবাস করিবে। ইহা ওয়াজিব।


ঈদের পরদিন প্রস্তর নিক্ষেপের জন্য দ্বিপ্রহরের পূর্বে গোসল করিবে। প্রথমে আরাফার নিকটবর্তী জামরায় যাইয়া কিবলামুখী হইয়া সাতটি প্রস্তর নিক্ষেপ করিবে এবং সূরা বাকারার পরিমাণ দীর্ঘ দু' করিবে। তৎপর মধ্যবর্তী জামরায় সাতটি প্রস্তর নিক্ষেপ করিবে এবং দু' করিবে। ইহার পর জামরায়ে আকাবায় সাতটি প্রস্তর নিক্ষেপ করিবে এবং সেইদিন মিনাবাজারে রাত্রিবাস করিবে। ১২ ইযিলহজ্ব তারিখেও উক্ত নিয়মে একুশটি প্রস্তর নিক্ষেপ করিবে। ইচ্ছা করিলে এই পর্যন্ত কার্য শেষ করিয়াই মক্কা শরীফে ফিরিয়া আসিতে পার। কিন্তু সূর্যাস্ত পর্যন্ত তথায় বিলম্ব করিলে সেই রাত্রেও মিনাবাজারে অবস্থান এবং পরবর্তী দিনে একুশটি প্রস্তর নিক্ষেপ করাও ওয়াজিব হইয়া পড়িবে।হজ্জের বর্ণনা  পর্যন্তই শেষ হইল।


ওমরার বিবরণ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বিবাহ (৩৫) কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ

বিবাহ  (পর্ব – ৩৫)  📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)  কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ — পিতামাতার উপর কন্যা সন্তানের হক তাদেরক...