আল্লাহ-পরিচয় (তত্ত্বদর্শন) পর্ব – ১৩
📚সৌভাগ্যের পরশমণি ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)
📚সৌভাগ্যের পরশমণি ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)
বিশ্বপ্রকৃতির কার্যনির্বাহের ধারা —
চার প্রকৃতি, গ্রহ-নক্ষত্ , দ্বাদশ রাশি, কক্ষপথ এবং তদ্ব্যতীত মহান আরশ এই সমস্তকে এক হিসাবে এমন এক রাজার রাজ্য শাসন প্রণালীর সহিত তুলনা করা যাইতে পারে যাঁহার একটি খাস কামরা আছে, এই কামরায় তাঁহার উযির বসিয়া রহিয়াছেন। কামরার চতুর্দিকে একটি বারান্দা আছে ইহার বারটি দরজা। প্রত্যেক দরজায় এক একজন সহকারী উযির উপবিষ্ট আছেন এবং সাতজন অশ্বারোহী উযির হইতে প্রাপ্ত শাহী আদেশ সহকারী উযিরগণের মারফতে পাইবার প্রতীক্ষায় অনবরত বারটি দরজার চতুর্দিকে ঘুরিতেছে। অশ্বারোহিগণ হইতে একটু দূরে চারিজন পেয়াদা ফাঁদ হাতে দাঁড়াইয়া শাহী নির্দেশের প্রতীক্ষায় অশ্বারোহীদের মুখপানে চাহিয়া রহিয়াছে। ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র এই ফাঁদের সাহায্যে তাহারা কাহাকেও নির্দেশ অনুযায়ী শাহী দরবারে হাযির করিবে, কাহাকেও বা দূর করিয়া দিবে, কাহাকেও পুরস্কার প্রদান করিব, আবার কাহাকেও শাস্তি দিবে। আরশ উক্ত খাস কামরাতুল্য। এই স্থানে উযির অবস্থান করেন তিনি একজন শ্রেষ্ঠ ফেরেশতা। গ্রহ-নক্ষত্রবিশিষ্ট আসমান বারান্দাস্বরূপ এবং দ্বাদশ রাশি বার দরজা সদৃশ। এই সকল দরজায় অবস্থিত সহকারী উযির-ফেরেশতাগণ উক্ত শ্রেষ্ঠ ফেরেশতা অপেক্ষা মরতবায় একটু নিম্নে। ইহাদের এক একজনের উপর এক এক কাজের ভার আছে। সাতটি গ্রহ সাতজন অশ্বারোহী তুল্য। তাহারা দ্বাদশ রাশিতে অবস্থিত ফেরেশতাগণের নিকট হইতে আল্লাহর নির্দেশের প্রতীক্ষায় আসমানের চারিদিকে ঘুরিতেছে। প্রত্যেক রাশি হইতে ইহাদের নিকট বিভিন্ন আদেশ আসিয়া থাকে। আগুন, পানি মাটি ও বায়ু এই চারি উপাদান সেই চারি পেয়াদাস্বরূপ। ইহারা নিজ নিজ স্থান ছাড়িয়া যায় না। উষ্ণতা, শীতলতা, আর্দ্রতা ও শুষ্কতা এই চতুর্বিধ প্রকৃতি উহাদের হস্তস্থিত চারিটি ফাঁদ।
চার প্রকৃতি, গ্রহ-নক্ষত্ , দ্বাদশ রাশি, কক্ষপথ এবং তদ্ব্যতীত মহান আরশ এই সমস্তকে এক হিসাবে এমন এক রাজার রাজ্য শাসন প্রণালীর সহিত তুলনা করা যাইতে পারে যাঁহার একটি খাস কামরা আছে, এই কামরায় তাঁহার উযির বসিয়া রহিয়াছেন। কামরার চতুর্দিকে একটি বারান্দা আছে ইহার বারটি দরজা। প্রত্যেক দরজায় এক একজন সহকারী উযির উপবিষ্ট আছেন এবং সাতজন অশ্বারোহী উযির হইতে প্রাপ্ত শাহী আদেশ সহকারী উযিরগণের মারফতে পাইবার প্রতীক্ষায় অনবরত বারটি দরজার চতুর্দিকে ঘুরিতেছে। অশ্বারোহিগণ হইতে একটু দূরে চারিজন পেয়াদা ফাঁদ হাতে দাঁড়াইয়া শাহী নির্দেশের প্রতীক্ষায় অশ্বারোহীদের মুখপানে চাহিয়া রহিয়াছে। ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র এই ফাঁদের সাহায্যে তাহারা কাহাকেও নির্দেশ অনুযায়ী শাহী দরবারে হাযির করিবে, কাহাকেও বা দূর করিয়া দিবে, কাহাকেও পুরস্কার প্রদান করিব, আবার কাহাকেও শাস্তি দিবে। আরশ উক্ত খাস কামরাতুল্য। এই স্থানে উযির অবস্থান করেন তিনি একজন শ্রেষ্ঠ ফেরেশতা। গ্রহ-নক্ষত্রবিশিষ্ট আসমান বারান্দাস্বরূপ এবং দ্বাদশ রাশি বার দরজা সদৃশ। এই সকল দরজায় অবস্থিত সহকারী উযির-ফেরেশতাগণ উক্ত শ্রেষ্ঠ ফেরেশতা অপেক্ষা মরতবায় একটু নিম্নে। ইহাদের এক একজনের উপর এক এক কাজের ভার আছে। সাতটি গ্রহ সাতজন অশ্বারোহী তুল্য। তাহারা দ্বাদশ রাশিতে অবস্থিত ফেরেশতাগণের নিকট হইতে আল্লাহর নির্দেশের প্রতীক্ষায় আসমানের চারিদিকে ঘুরিতেছে। প্রত্যেক রাশি হইতে ইহাদের নিকট বিভিন্ন আদেশ আসিয়া থাকে। আগুন, পানি মাটি ও বায়ু এই চারি উপাদান সেই চারি পেয়াদাস্বরূপ। ইহারা নিজ নিজ স্থান ছাড়িয়া যায় না। উষ্ণতা, শীতলতা, আর্দ্রতা ও শুষ্কতা এই চতুর্বিধ প্রকৃতি উহাদের হস্তস্থিত চারিটি ফাঁদ।
পরবর্তী পর্ব —
রোগ-শোক প্রদানের কারণ ও রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন মত —

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন