নবী ও ওলী
যে ব্যক্তির প্রতি আধ্যাত্মিক জ্ঞানের পথ উদ্ঘাটিত হইয়াছে তাহাতে যদি আল্লাহ্ জগতের মঙ্গল কিসে হয় তাহা শিক্ষা দেন এবং তিনিও বিশ্ববাসীকে আহ্বান করত তদনুযায়ী হিদায়েত করেন তবে তিনি আল্লাহর নিকট হইতে যে শিক্ষাপ্রাপ্ত হন তাকে শরীয়ত বলে ও তাঁহাকে নবী বলা হয়। নবীর অলৌকিক কার্যকলাপকে মু'জিযা বলে। আর তদ্রূপ ব্যক্তি যদি সমস্ত বিশ্ববাসীকে আহ্বানপূর্বক হিদায়েত করিবার জন্য আল্লাহ্ কর্তৃক নিযুক্ত না হন তবে তাঁহাকে ওলী বলে এবং তাহার অলৌকিক কার্যকলাপকে কারামত বলে । আল্লাহ্ প্রদত্ত জ্ঞানে বিভূষিত ও অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আপনা-আপনিই বিশ্বমানবের হিদায়েত কার্যে লিপ্ত হওয়া জরুরী নহে। বরং আল্লাহ্ নিজ ক্ষমতায় এক এক ব্যক্তিকে যোগ্যতানুসারে এক এক কার্যে নিযুক্ত করিয়া রাখেন। কোন ওলীকে বিশ্বের হিদায়েতের ভার অর্পণ না করার বিভিন্ন কারণ থাকিতে পারে। হয়ত তখন শরীয়ত জীবিত আছে এবং তজ্জন্য বিশ্ববাসীকে নূতনভাবে আর শিক্ষা দিবার প্রয়োজন নাই অথবা জগতের শিক্ষাগুরু হওয়ার জন্য নবীগণের যে যে গুণ থাকা আবশ্যক উহা তাঁহার মধ্যে পূর্ণভাবে নাই।
ওলীর উন্নত অবস্থা সাধনাসাপেক্ষ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন