এক হাদীসে আছে- সন্তান-সন্ততি কম হওয়াও দুই ধনাঢ্যতার একটি। পক্ষান্তরে পরিবার-পরিজন বেশী হওয়াও দুই দারিদ্র্যের একটি।
আবু সোলায়মান দারানী বলেন : একা ব্যক্তি আমলের স্বাদ ও অন্তরের প্রশস্ততা যতটুকু পায়, সপত্নীক ব্যক্তি ততটুকু পায় না। একথাও তিনিই বলেন- আমি, আমার সঙ্গীদের মধ্যে কাউকে পাইনি, যে বিবাহ করার পর তার প্রথম মর্তবায় কায়েম রয়েছে। তিনি আরও বলেন : তিনটি বিষয় যে অন্বেষণ করে সে দুনিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে।
(১) যে জীবিকা অন্বেষণ করে,
(২) যে কোন মহিলাকে বিয়ে করে এবং
(৩) যে হাদীস লেখে।
হযরত হাসান বসরী (রহ.) বলেন : আল্লাহ তাআলা যে বান্দার কল্যাণ করতে চান, তাকে অর্থকড়ি, স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততির মধ্যে মশগুল করেন না।
একদল লোক এ উক্তি নিয়ে বিতর্ক করার পর সাব্যস্ত করে যে, এ অর্থকড়ি, স্ত্রী ও সম্পদ মোটেই থাকবে না; বরং উদ্দেশ্য এগুলো থাকবে ঠিকই; কিন্তু আল্লাহর পথে বাধা হবে না। এ বিষয়টিই আবু সোলায়মান দারানী (রহ.)-এর এই উক্তির মধ্যে পাওয়া যায়, অর্থকড়ি, স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ইত্যাদি যে বস্তুই তোমাকে আল্লাহর পথে বাধা দেয়, তাই তোমার জন্যে অলক্ষুণে।
মোট কথা, যারা বিবাহ থেকে বিরত হওয়ার কথা বলেছেন, তারা সর্বাবস্থায় বলেননি; বরং একটি শর্তাধীনে বলেছেন। বিবাহের ফযীলতও সর্বাবস্থায় এবং শর্তাধীনে বর্ণিত আছে। তাই বিবাহের উপকারিতা ব্যাখ্যা করা আমাদের জন্যে জরুরী হয়ে পড়েছে।
পরবর্তী পর্ব —
বিবাহের উপকারিতা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন