বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪

নফল নামায (পর্ব - ১৩) রজবের নামাজ



নফল নামায - (পর্ব - ১৩)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)

রজবের নামাজ
রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি রজব মাসের প্রথম বৃহস্পতিবারে রোযা রাখে, অতঃপর মাগরিব ও এশার মাঝখানে দু'দু'রাকআত করে বারো রাকআত নামায পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু একবার, সূরা কদর তিন বার, সূরা এখলাস বারো (১২) বার এবং 
নামাযান্তে এই দরূদ পড়ে 
(- اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدِ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ )
>“আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন্-নাবিয়্যিল উম্মী ওয়া ‘আলা আলিহি” (৭৫ বার)

প্রথম সেজদায়- (سُبُوحَ قَدُوسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ-)
>“সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতিহ ওয়ার- রূহ” (৭০ বার)

অতঃপর মাথা তুলে (رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَتَجَاوِرُ عَمَّا تَعْلَمُ إِنَّكَ أَنْتَ الْعَلِيُّ الْأَعْظَمُ)
>"রব্বিগফির ওয়ারহাম ওয়াতাযাওরান আম্মা তা'লামু ইন্নাকা আন্তা আলিয়্যুল আযীম" (৭০ বার)

দ্বিতীয় সেজদায়ও - (سُبُوحَ قَدُوسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ-)
>“সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতিহ ওয়ার- রূহ” (৭০ বার)

এর পর সেজদার মধ্যেই নিজের প্রয়োজন প্রার্থনা করে, তার সকল প্রয়োজন পূর্ণ করা হবে। তার সব গোনাহ্ মার্জনা করা হবে যদিও তা সমুদ্রের ফেনা, বালুকার সংখ্যা, পাহাড়ের ওজন এবং বৃক্ষের পত্রসম হয়। কেয়ামতের দিন সে তার পরিবারের সাত'শ মানুষের শাফায়াত করবে, যারা দোযখের যোগ্য হবে। 

পরবর্তী পর্ব
শাবানের নামায তথা সবেবরাতের নামাজ

নফল নামায (পর্ব - ১২) তারাবীহ্ নামাজ





নফল নামায - (পর্ব - ১২)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)

তারাবীহ্ নামাজ
তারাবীহ বিশ রাকআত। এটা সুন্নতে মোআক্কাদা। তবে দুই ঈদের নামাযের তুলনায় এর উপর জোর কম। তারাবীহ জামাআতে পড়া উত্তম, না একা পড়া- এ বিষয়ে আলেমগণের মতভেদ আছে। রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এ নামায দুই অথবা তিন রাতে জামাআত সহকারে পড়েছিলেন। এর পর জামাআতে পড়েননি এবং বলেন আমার আশংকা হয়, এটা তোমাদের উপর ওয়াজিব না হয়ে যায়। হযরত ওমর (রাঃ) মুসলমানদেরকে তারাবীহের জামাআতে একত্রিত করে দেন। কেননা, ওহী বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে তা ওয়াজিব হয়ে যাওয়ার আশংকা ছিল না। সুতরাং কতক আলেম হযরত ওমর (রাঃ)-এর এ কাজের কারণে বলেন, তারাবীহ জামাআতে পড়া উত্তম। এ ছাড়া সকলের সমবেত হওয়ার মধ্যে বরকত আছে। একাকিত্বে মাঝে মাঝে আলস্যও স্পর্শ করে। সমাবেশ দেখলে মন প্রফুল্ল হয়। কেউ কেউ বলেন তারাবীহ একা পড়া উত্তম। রাসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আরও বলেন : আমার এ মসজিদে এক নামায অন্য মসজিদে এক'শ নামাযের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এসব নামাযের চেয়ে উত্তম সেই ব্যক্তির নামায, যে তার গৃহের কোণে দু'রাকআত পড়ে এবং তার খবর আল্লাহ ব্যতীত কেউ রাখে না। এর কারণ, রিয়া ও বানোয়াট অধিকতর সমাবেশের মধ্যেই হয়ে থাকে। একান্তে মানুষ এগুলো থেকে নিরাপদ থাকে। কিন্তু পছন্দনীয় উক্তি ইচ্ছে, তারাবীহ জামাআতে পড়াই ভাল। কেননা, কতক নফল নামায জামাআত সিদ্ধ। তারাবীহর প্রকাশও কর্তব্য।

পরবর্রতী পর্ব

নফল নামায (পর্ব - ১১) দু’ঈদের নামায



নফল নামায - (পর্ব - ১১)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)

বাৎসরিক নফল নামাজ
চার প্রকার নফল নামায প্রতিবছর একবার করে আদায় করতে হয়— 
(১) দু'ঈদের নামায, 
(২) তারাবীহ, 
(৩) রজবের নামায ও 
(৪) শা'বানের নামায। 

দু’ঈদের নামায 
এই নামায সুন্নতে মোআক্কাদা তথা ওয়াজিব। এটি ধর্মের একটি নিদর্শন। এতে সাতটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত। 

(১) তিন বার তকবীর অর্থাৎ নিম্নোক্ত বাক্যাবলী বলা : 

‎الله اكبر الله اكبرُ اللهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا الْحَمْدُ للهِ كَثِيرًا وَسُبْحَنَ اللهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شرِيكَ لَهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ - وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ .

"আল্লাহু আকবার ,আল্লাহু আকবার। আল্লাহু আকবার কবীরা, আলহামদুলিল্লাহি কাতীরা, ওয়া ছোবহানাল্লাহি বোখরাতাওঁ ওয়া-অসিলা। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু মোখলিছিনা লাহুদ্বীনা ; ওয়ালাউ কারিয়্যাল কাফেরুন।"

অর্থাৎ, "আল্লাহ মহান, আল্লাহর জন্যে অনেক প্রশংসা। সকাল সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করি। আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই। তিনি এক , তাঁর কোন শরীক নেই। তাঁর জন্যে এবাদতকে খাঁটি কর ; যদিও কাফেররা অপছন্দ করে।" 

ঈদুল ফেতরের রাত্রি থেকে ঈদের নামায পর্যন্ত এ তকবীরের সময়। ঈদুল আযহায় এ তকবীর ৯ তারিখের ফজর থেকে শুরু করবে এবং ১৩ তারিখের আসর পর্যন্ত চলবে। এতে মতভেদও আছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ উক্তি এটাই। নামাযসমূহের পরে এ তকবীর বলতে হবে ; কিন্তু ফরয নামাযের পরে পড়ার উপর জোর বেশী। 

(২) ঈদের দিনের সকালে গোসল করবে, সাজগোজ করবে এবং সুগন্ধি ব্যবহার করবে। পুরুষদের জন্যে চাদর ও পাগড়ী উত্তম। 

(৩) এক পথে ঈদগাহে যাবে এবং অন্য পথে ফিরে আসবে। রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) তাই করেছেন। তিনি যুবতী নারী ও পর্দানশীনদেরকেও ঈদে যেতে অনুমতি দিতেন। 
(হানাফি মাযহাবে তা নিশেধাজ্ঞা আছে। কারণ পরবর্তীতে হযরত ওমর (রঃ) মহিলাদের মসজিদে গমনে নিষেধাজ্ঞা করেছিলেন)।

(৪) ঈদের নামাযের জন্যে শহরের বাইরে যাওয়া মোস্তাহাব। কিন্তু মক্কা মোয়াযযমা ও বায়তুল মোকাদ্দাসে মসজিদে নামায পড়া উচিত। বৃষ্টি বর্ষিত হলে মসজিদে ঈদের নামায পড়াতে দোষ নেই। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন না হলে ইমাম দুর্বল ও অক্ষম ব্যক্তিদেরকে মসজিদে নামায পড়িয়ে দেয়ার অনুমতি কোন ব্যক্তিকে দেবেন এবং নিজে সমর্থ লোকদেরকে নিয়ে বাইরে যাবেন। সকলেই তকবীর বলতে বলতে ঈদগাহে যাবে। 

(৫) সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। ঈদের নামাযের সময় সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্য ঢলে পড়া পর্যন্ত। কোরবানী করার সময় ১০ তারিখে সূর্যোদয়ের এতটুকু পরে শুরু হয়, যতটুকু সময়ের মধ্যে দু'রাকআত নামায ও দু’খোতবা হয়ে যায়। এর পর এই সময় ১৩ তারিখের শেষ পর্যন্ত থাকে। ঈদুল আযহার নামায সকালে পড়া মোস্তাহাব৷ কেননা, নামাযের পরে কোরবানী করতে হয়। ঈদুল ফেতরের নামায দেরীতে পড়া মোস্তাহাব। কেননা, এ নামাযের আগে সদকায়ে ফেতর বন্টন করতে হয়। এটা রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-এর তরীকা। 

(৬) ঈদের নামাযের ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে মানুষ তকবীর বলতে বলতে ঈদগাহে যায়। ইমাম সেখানে পৌঁছে বসবে না এবং নফল পড়বে না। অন্যেরা নফল পড়তে পারে। এর পর একজন ঘোষক  'নামায শুরু হচ্ছে' বলে উচ্চ স্বরে ঘোষণা করবে। 
অতঃপর ইমাম দু'রাকআত পড়বে। প্রথম রাকআতে তকবীরে তাহরীমা ও রুকুর তকবীর ছাড়া তিন বার আল্লাহু আকবার বলবে।
এর পর 'আলহামদুর পরে সূরা ক্বাফ পাঠ করবে এবং দ্বিতীয় রাকআতে 'সুরা কামার' পড়বে। 
দ্বিতীয় রাকআতে কেরাআত শেষে অতিরিক্ত তিন তকবীর বলবে।
এর পর দুটি খোতবা পাঠ করবে এবং মাঝখানে বসবে। 
(৭) ভেড়া কোরবানী করবে। রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) স্বহস্তে একটি ভেড়া যবেহ করেন এবং বলেন : "শুরু আল্লাহর নামে। আল্লাহ মহান। এটা আমার পক্ষ থেকে এবং আমার উম্মতের সেই ব্যক্তির পক্ষ থেকে, যে কোরবানী করেনি" 
এক হাদীসে এরশাদ হয়েছে- "যেব্যক্তি যিলহজ্জের চাঁদ দেখে এবং তার কোরবানী করার ইচ্ছা থাকে , সে যেন চুল ও নখ না কাটে"। হযরত আবু আইউব আনসারী (রাঃ) বলেন রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর আমলে একজন তার গোটা পরিবারের পক্ষ থেকে একটি ছাগল কোরবানী করত এবং তারা সকলেই খেত ও খাওয়াত। তিন দিন অথবা আরও বেশী দিন কোরবানীর গোশত খাওয়া জায়েয। প্রথমে এটা নিষিদ্ধ ছিল। পরে অনুমতি দেয়া হয়েছে।
সুফিয়ান সওরী (রঃ) বলেনঃ ঈদুল ফেতরের পর বার রাকআত ও ঈদুল আযহার পর ছয় রাকআত নামায পড়া মোস্তাহাব। এটা মসনূন আমল। 

পরবর্তী পর্ব

মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪

নফল নামায (পর্ব - ৬) শনিবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ



নফল নামায - (পর্ব - ৬)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
শনিবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ

শনিবার রাত্রির নফল নামাজ (শুক্রবার বিনগত রাত)
হযরত আনাস (রঃ)-এর বর্ণনায় রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যে শনিবার রাতে মাগরিব ও এশার মাঝখানে বার (১২) রাকআত নামায পড়ে, তার জন্যে জান্নাতে একটি প্রাসাদ তৈরী করা হবে। সে যেন প্রত্যেক মুমিন পুরুষ ও নারীকে খয়রাত বন্টন করল। তাকে ক্ষমা করা আল্লাহ নিজের জন্যে জরুরী করে নেন। 

শনিবার দিনের নফল নামাজ
হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: যেব্যক্তি শনিবার দিন চার রাকআত নামায পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু একবার ও সূরা কাফিরূন তিন বার এবং নামাযান্তে আয়াতুল কুরসী পাঠ করে, আল্লাহ তাআলা তার জন্যে প্রত্যেক অক্ষরের বদলে এক হজ্জ ও এক ওমরার সওয়াব লেখেন, এক বছরের দিনের রোযা ও রাতের এবাদতের সওয়াব দান করেন, এক শহীদের সওয়াব দেন এবং কেয়ামতে পয়গম্বর ও শহীদগণের সাথে আরশের ছায়াতলে স্থান দেবেন।

পরবর্তী পর্ব

নফল নামায (পর্ব - ৫) শুক্রবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ



নফল নামায - (পর্ব - ৫)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
শুক্রবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ

শুক্রবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ
শুক্রবার রাত্রির নামাজ-
(১) হযরত জাবের (রঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যে শুক্রবার রাতে মাগরিব ও এশার মাঝখানে বার (১২) রাকআত নামায আদায় করে- প্রত্যেক রাকআতে 
> আলহামদু একবার এবং 
> এখলাস এগার বার পাঠ করে, 
সে যেন আল্লাহ তাআলার এবাদত বার বছর পর্যন্ত এভাবে করল, দিনের বেলায় রোযা রাখল এবং রাতে নফল নামায পড়ল। 

(২) হযরত আনাস (রঃ) এর বর্ণনায় রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন যে শুক্রবার রাতে জামাআতের সাথে এশার নামায পড়ে, উভয় সুন্নত পড়ে এবং ফরয ও সুন্নতের পর দশ রাকআত নামায পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু, এখলাস, ফালাক ও নাস এক এক বার পাঠ করতঃ বেতেরের তিন রাকআত পড়ে এবং ডান পার্শ্বে কেবলামুখী হয়ে শুয়ে থাকে, সে যেন সমগ্র রাত্রি নফল নামায পড়ল।

(৩) রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ উজ্জ্বল দিনে আমার প্রতি অধিক দরূদ পাঠ কর অর্থাৎ শুক্রবার রাত্রি ও দিনে। 

শুক্রবার দিনের নফল নামাজ-
(১) হযরত আলী (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : জুমআর দিন একটি নামায আছে। যে মুমিন বান্দা সূর্য পূর্ণরূপে উদিত হওয়ার পর পূর্ণরূপে ওযু করে ঈমান ও সওয়াবের আশায় চাশতের 
>দু'রাকআত নামায পড়ে, তার জন্যে আল্লাহ তাআলা দুশ' নেকী লিখেন এবং দুশ' গোনাহ মার্জনা করেন।
>যে চার রাকআত পড়ে আল্লাহ তাআলা জান্নাতে তার চারশ' মর্তবা উঁচু করে দেন। 
>যে আট রাকআত পড়ে, তার আটশ' মর্তবা উঁচু করেন এবং সকল গোনাহ মাফ করে দেন। আর 
>যে বার রাকআত পড়ে, তার জন্যে বারশ' নেকী লিপিবদ্ধ করেন, বারশ' কুকর্ম তার আমলনামা থেকে দূর করে দেন এবং জান্নাতে বারশ’ মর্তবা উঁচু করেন৷ 

(২) হযরত ইবনে ওমর (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন  : যেব্যক্তি জুমআর দিন জামে মসজিদে প্রবেশ করে এবং জুমআর পূর্বে চার রাকআত নামাযে প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু একবার, সূরা এখলাস পঞ্চাশ বার পাঠ করে, সে মৃত্যুর সময় জান্নাতে তার ঠিকানা দেখে নেবে অথবা তাকে দেখিয়ে দেয়া হবে।

পরবর্তী পর্ব

নফল নামায (পর্ব - ৪) বৃহস্পতিবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ



নফল নামায - (পর্ব - ৪)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)

বৃহস্পতিবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ
বৃহস্পতিবার রাত্রি ও দিনের নামাজ
বৃহস্পতিবার রাত্রির নামাজ- 
হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যে ব্যাক্তি বৃহস্পতিবার রাতে মাগরিব ও এশার মাঝখানে দু'রাকআত নামায পড়ে- প্রত্যেক রাকআতে- 
> আলহামদু পাঁচ বার, 
> আয়াতুল কুরসী পাঁচ বার, 
> সুরা এখলাস পাঁচ বার,
> সুরা ফালাক পাঁচ বার,
> সুরা নাস পাঁচ বার,

> এবং নামাযান্তে পনর বার এস্তেগফার পাঠ করে, 
> সওয়াব পিতামাতাকে বখশে দেয়, 

পিতামাতার হক তার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায়, যদিও সে পিতামাতার অবাধ্যতা করে। আল্লাহ তাআলা তাকে এমন বস্তু দেবেন, যা সিদ্দীক ও শহীদগণকে দেবেন।

বৃহস্পতিবার দিনের নামাজ:
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি বৃহস্পতিবার দিন যোহর ও আসরের মধ্যে দু'রাকআত নামায পড়ে, 
>প্রথম রাকআতে আলহামদু একবার, আয়াতুল কুরসী একশ' বার এবং 
>দ্বিতীয় রাকআতে আলহামদু একবার, সূরা এখলাস একশ' বার এবং দরূদ একশ’ বার পাঠ করে।
 
তাকে আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির সওয়াব দান করবেন, যে রজব, শাবান ও রমযানের রোযা রাখে। তাকে হজ্জের সমান সওয়াব দান করা হবে। আল্লাহ তাআলা তার জন্যে মুমিন ও তাওয়াক্কুলকারীদের সংখ্যা পরিমাণে সওয়াব লেখবেন। 

পরবর্তী পর্ব


নফল নামায (পর্ব - ১০) বুধবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ

 

নফল নামায - (পর্ব - ১০)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
বুধবার  রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ

বুধবার রাত্রির (মঙ্গলবার দিনগত) নামাজ- 
(১) হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর রেওয়ায়েতে রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি বুধবার রাতে তিন সালাম সহকারে ছয় রাকআত নামায পড়ে- 
প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু লিল্লাহর পর (কুলিল্লাহুম্মা মালিকিল মুলকি) এ থেকে দু’আয়াত পর্যন্ত পাঠ করে এবং 
নামাযান্তে বলে “জাযাল্লাহু মুহাম্মাদান আন্না মা-হুয়া আহদাহ্”  (আল্লাহ মুহাম্মদকে আমাদের পক্ষ থেকে যোগ্য প্রতিদান দিন।) 
আল্লাহ তার সত্তর বছরের গোনাহ ক্ষমা করবেন এবং তার জন্যে দোযখ থেকে পরিত্রাণপত্র লেখে দেবেন। 

(২) আরও বর্ণিত আছে, যেব্যক্তি বুধবার রাতে দু'রাকআত নামায পড়ে- প্রথম রাকআতে আলহামদু একবার , সূরা ফালাক দশ (১০) বার এবং দ্বিতীয় রাকআতে আলহামদুর পর সূরা নাস দশ (১০) বার।

 সালামের পর দশ (১০) বার এস্তেগফার এবং দশ (১০) বার দরূদ শরীফ পাঠ করে, তার সওয়াব লেখার জন্যে প্রত্যেক আকাশ থেকে সত্তর হাজার ফেরেশতা অবতরণ করে এবং কেয়ামত পর্যন্ত তার সওয়াব লেখতে থাকে। 

বুধবার দিনের নামাজ-
হযরত মুআ'য ইবনে জাবাল (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি বুধবারে দ্বিপ্রহরের পূর্বে (১২) বার রাকআত নামায পড়ে এবং প্রত্যেক রাকআতে >আলহামদু ও আয়াতুল কুরসী এক একবার, 
>সূরা এখলাস, সূরা ফালাক ও নাস তিন বার করে পাঠ করে, 
তাকে আরশের কাছ থেকে ফেরেশতারা ডাক দিয়ে বলে হে আল্লাহর বান্দা আবার আমল কর। তোমার পূর্ব গোনাহ ক্ষমা করা হয়েছে। এ ছাড়া আল্লাহ তাআলা তার কবরের অন্ধকার ও সংকীর্ণতা ও কেয়ামতের কঠোরতা দূরীভূত করে দেবেন। সেদিন থেকেই তার জন্যে একজন পয়গম্বরের আমল উপরে উঠতে থাকবে। 

পরবর্তী পর্ব

নফল নামায (পর্ব - ৯) মঙ্গলবার রাত্রি ও দিনের নামাজ



নফল নামায - (পর্ব -৯ )
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
মঙ্গলবার  রাত্রি ও দিনের নামাজ

মঙ্গলবার  রাত্রি (সোমবার দিনগত রাতের) নামাজ-
(১) এ রাতে দু'রাকআত নামায পড়বে। প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু, এখলাস, ফালাক ও নাস প্রতিটি পনর বার, সালামের পর আয়াতুল কুরসী পনর বার এবং এস্তেগফার পনর বার পাঠ করবে। 

(২) হযরত ওমর (রাঃ) এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ্ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি মঙ্গলবার রাতে দু'রাকআত নামায পড়ে- প্রত্যেক রাকআতে একবার আলহামদু, সূরা কদর এবং এখলাস সাত সাত বার পাঠ করে, আল্লাহ তাআলা তাকে দোযখ থেকে মুক্তি দেন এবং কেয়ামতের দিন এ নামায তাকে জান্নাতের দিকে পথ প্রদর্শন করবে। 

মঙ্গলবার দিনের নামাজ-
হযরত আনাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ “যেব্যক্তি মঙ্গলবার দিন দ্বিপ্রহরের কাছাকাছি সময়ে দশ রাকআত পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু, আয়াতুল কুরসী এক একবার এবং সূরা এখলাস তিন বার পাঠ করে, তার সত্তর দিনের গোনাহ লেখা হবে না। সত্তর দিনের মধ্যে সে মারা গেলে শহীদের মর্তবা নিয়ে মারা যাবে এবং তার সত্তর বছরের গোনাহ মার্জনা করা হবে। 

পরবর্তী পর্ব

নফল নামায (পর্ব - ৮) সোমবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ



নফল নামায - (পর্ব - ৮)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
সোমবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ  

সোমবার রাত্রি রবিবার দিনগত রাত (সালাতে হাজত) -
হযরত আনাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি সোমবার রাতে চার রাকআত নামায পড়ে- 
>প্রথম রাকআতে আলহামদু ও সূরা এখলাস দশ বার, 
>দ্বিতীয় রাকআতে আলহামদু ও সূরা এখলাস কুড়ি বার, 
>তৃতীয় রাকআতে আলহামদু ও সূরা এখলাস ত্রিশ বার এবং 
>চতুর্থ রাকআতে আলহামদু ও সূরা এখলাস চল্লিশ বার পাঠ করে। 

>এর পর সালাম ফিরিয়ে পঁচাত্তর বার সূরা এখলাস পড়ে নিজের ও পিতামাতার জন্যে মাগফেরাতের দোয়া করে এবং আল্লাহ তা'আলার কাছে নিজের প্রয়োজন ব্যক্ত করে, তার প্রার্থনা পূর্ণ করা আল্লাহ তাআলা নিজের উপর জরুরী করে নেন। 
এ নামাযকে সালাতে হাজত বলা হয়। 

সোমবার দিনের নামাজ--
(১) হযরত জাবের (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : যেব্যক্তি সোমবার দিন সূর্য উপরে উঠার পর দু'রাকআত পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে সুরা (ফাতেহা) আলহামদু একবার, আয়াতুল কুরসী একবার, এখলাস, ফালাক ও নাস একবার করে পাঠ করে এবং সালামের পর দশ বার এস্তেগফার ও দশ বার দরূদ পাঠ করে, আল্লাহ তাআলা তার সকল গোনাহ মাফ করে দেন৷ 
(২) হযরত আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : "যেব্যক্তি সোমবার দিন বার রাকআত পড়ে, প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু ও আয়াতুল কুরসী এক একবার এবং নামায শেষে সূরা এখলাস ও এস্তেগফার ‘বার’ বার পড়ে, তাকে কেয়ামতের দিন অমুকের পুত্র অমুক কোথায়, উঠ এবং তোমার সওয়াব নাও, বলে আহ্বান করা হবে। অতঃপর প্রথম সওয়াবস্বরূপ তাকে এক হাজার বেহেশতী পোশাক দেয়া হবে। তার মাথায় মুকুট রাখা হবে। তাকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। তখন এক হাজার ফেরেশতা তার অভ্যর্থনার জন্যে পৃথক পৃথক উপঢৌকন নিয়ে আগমন করবে এবং তার সাথে সাথে থাকবে। 

পরবর্তী পর্ব


নফল নামায (পর্ব - ৭) রবিবার দিন ও রাত্রির নফল নামাজ



নফল নামায - (পর্ব - ৭)
📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)
রবিবার রাত্রি ও দিনের নফল নামাজ  

রবিবার রাত্রির নামাজ (শনিবার দিনগত রাত)
হযরত আনাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেন, যেব্যক্তি রবিবার রাতে কুড়ি রাকআত নামায পড়ে- প্রত্যেক রাকআতে আলহামদুর পর সূরা এখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস একবার পাঠ করে নিজের পিতামাতার জন্যে একশ' বার মাগফেরাতের দোয়া করে,
[ربي اغفر لأمي وأبي] রব্বিগফিরলী আবি ওয়া উম্মী।

রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি একশ' বার দরূদ প্রেরণ করে, নিজের শক্তি থেকে আলাদা হয়ে আল্লাহর শক্তির আশ্রয় প্রার্থনা করে, 
অতঃপর বলে -
 "أشهد أن لا إله إلا الله ,وأشهد أن آدم مصطفي الله وفطرته, إبراهيم خليل الله , عيسى روح الله , محمد (صلى الله عليه وسلم) حبيب الله"
উচ্চারণ : (আশহাদু আন- লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়া আশহাদু আন আদম মুস্তাফি আল্লাহ্ ওয়া ফিতরাত, ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ্, ঈসা রুহুল্লাহ্ ওয়া মুহম্মদ (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) হাবীবুল্লাহ্)
অর্থাত : 'আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দেই, আদম আল্লাহর মনোনীত ও তাঁর ফিতরত, ইবরাহীম আল্লাহর খলীল, মূসা আল্লাহর সাথে বাক্যালাপকারী, ঈসা আল্লাহর রূহ এবং মুহাম্মদ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর হাবীব। 
সে তাদের সংখ্যা পরিমাণে সওয়াব পাবে, যারা আল্লাহ তাআলার সন্তান আছে বলে বিশ্বাস করে এবং যারা তা বিশ্বাস করে না। কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে শান্তিপ্রাপ্তদের সাথে উত্থিত করবেন এবং জান্নাতে পয়গম্বরগণের দলভুক্ত করবেন। 

রবিবার দিনের নামাজ-
হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ যেব্যক্তি রবিবার দিন চার রাকআত পড়ে এবং প্রত্যেক রাকআতে আলহামদু (সুরা ফাতেহা) ও আমানার রাসূলু (সুরা বাকারা শেষের তিন আয়াত) একবার পাঠ করে, আল্লাহ তাআলা তার জন্যে খৃস্টান পুরুষ ও খৃস্টান নারীর সমসংখ্যক সওয়াব লেখবেন। তাকে একজন নবীর সওয়াব দেবেন এবং এক হজ্জ ও ওমরা তার জন্যে লিপিবদ্ধ করবেন। প্রত্যেক -রাকআতের বদলে হাজার নামাযের সওয়াব লেখবেন। প্রত্যেক অক্ষরের বিনিময়ে জান্নাতে একটি মেশকের শহর দেবেন।”  
হযরত আলী (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে রসূলে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেন : রবিবার দিন অধিক নামায পড়ে আল্লাহ তাআলার একত্ব ঘোষণা কর। (লা ইলাহা ইল্লল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু) তিনি এক, তার কোন শরীক নেই। 
অতএব যেব্যক্তি রবিবার দিন যোহরের ফরয ও সুন্নতের পর চার রাকআত পড়ে, 
প্রথম রাকআতে আলহামদু ও আলিফ লাম সেজদা এবং দ্বিতীয় রাকআতে আলহামদু ও সূরা মুলক পড়ে আত্তাহিয়্যাতু পাঠ করতঃ সালাম ফেরায়, এর পর দাঁড়িয়ে আরও দু'রাকআত পড়ে, প্রথম রাকআতে আলহামদু ও সূরা জুমুআ এবং দ্বিতীয় রাকআতেও এ সূরাই পড়ে, এর পর আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন ব্যক্ত করে, আল্লাহ তাআলার জন্যে তার প্রয়োজন মেটানো অপরিহার্য হয়ে যাবে।”


পরবর্তী পর্ব 

বিবাহ (৩৫) কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ

বিবাহ  (পর্ব – ৩৫)  📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.)  কন‍্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ — পিতামাতার উপর কন্যা সন্তানের হক তাদেরক...