কোন একজন আলেমকে প্রশ্ন করা হইয়াছিল যে, “হুযুর ! মৃত্যুর পর মানবাত্মার অবস্থান স্থল কোথায়?” উত্তরে তিনি বলিয়াছিলেন যে, নবীদের আত্মা জান্নাতুল আদনে এবং কবরের মধ্যে নিজ শরীরের জন্য শোকাকুল ও আল্লাহ পাকের জন্য সিজদাহ রত থাকে৷ শহীদের আত্মা বেহেশত রাজ্যের মধ্যস্থলে জান্নাতুল ফেরদাউসে সবুজ পাখীর দেহে অবস্থান করে। তাহারা স্বেচ্ছায় বেহেশৃতে বিচরণ করে এবং আরশের নিম্নস্থ ঝুলায়মান ফানুসে বিশ্রাম লাভ করে। আর মুসলমান শিশুদের রূহ বেহেশতি পাখীদের দেহে মেশাক পর্বতের সন্নিকটে কিয়ামত পর্যন্ত অপেক্ষা করে। আর মোশরেক ও মোনাফেকদের শিশুদের রূহ বেহেশতের আনাচে কানাচে পরিভ্রমণ করিতে থাকিবে, কিয়ামত পর্যন্ত তাহাদের নির্দিষ্ট কোন বাসস্থান থাকিবে না। তারপর তাহারা মুমিনদের খাদেম হইবে। ঋণগ্রস্ত ও পরদ্রব্য গ্রাসকারী মুমিনের আত্মা আকাশ ও বাতাসের মাঝে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে৷ ঋণ ও অন্যের হক আদায় না করা পর্যন্ত তাহাদের রূহ আকাশে উঠিতে সক্ষম হয় না অথবা বেহেশতে প্রবেশ করিতে পারে না। পাপে আকৃষ্ট ফাসেক মুসলমানদের আত্মাকে কবরের মধ্যে শরীরের সহিত আযাব করা হয় এবং বিধর্মী, কাফের ও মোনাফেকদের আত্মাকে জাহান্নামে সিজ্জিন নামক স্থানে আজীবন আযাব করা হয়।
রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪
দাকায়েকুল আখবার- (২৫) জান কবজের পর রূহের কবরে ও গৃহে আগমন
দাকায়েকুল আখবার- (২৪) জামাতে নামায আদায়ের ফজীলত
হযরত আনাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, জনাব রাসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করিয়াছেন, “বান্দা যখন উত্তমরূপে অজু এবং বিশুদ্ধভাবে নিয়ত করতঃ নামায পড়িতে দণ্ডায়মান হয় এবং ‘আল্লাহু আকবার' বলে, তৎক্ষণাত সে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর ন্যায় নিষ্পাপ হইয়া যায়। আর যখন সে 'আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম' বলে তখন তাহার শরীরের অগণিত পশমতুল্য এক বৎসরের এবাদত লেখা হয়। আর সে যখন সূরা ফাতেহা পাঠ করে তখন সে যেন পবিত্র ‘হজ্জ ও ওমরাহ' সমাপ্ত করে। আর সে যখন ‘রুকু' করে তখন যেন সে তাহার ওজনের সমতুল্য স্বর্ণ আল্লাহ তা'আলার রাস্তায় খরচ করে। আর যখন সে 'ছামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ্' বলে, তখন আল্লাহ তা'আলা তাহার প্রতি রহমতের নজর নিক্ষেপ করেন। সিজদাহর হালতে সে যখন 'ছোব্হানা রাব্বিয়াল আলা' পাঠ করে, তখন যেন সে একটি গোলাম আযাদ করে। আর যখন সে ‘তাশাহ্হুদ’ পাঠ করে তখন আল্লাহ তা'আলা তাহাকে সহস্র আলেম ও শহীদের পুণ্য প্রদান করেন। আর সালামান্তে নামায শেষ করিবার সাথে সাথে তাহার জন্যে বেহেশতের আটটি দরওয়াজা খুলিয়া দেওয়া হয়, সে বিনা হিসাবে নির্ভয়ে খুশীমত যে কোন দরওয়াজা দিয়া উহাতে প্রবেশ করিতে পারে।”
হযরত নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করিয়াছেন, “কুকুরের পাঁচটি স্বভাব প্রত্যেক বান্দার মধ্যে থাকা দরকার। যেমন- (১) কুকুর সদা-সর্বদা ক্ষুধার্ত ও অভুক্ত থাকে, সুতরাং সৎলোকেরও তদ্রূপ থাকা দরকার। (২) কুকুরের কোন নির্দিষ্ট বাসস্থান থাকে না, অতএব সৎলোকদেরও থাকা উচিত নহে। (৩) কুকুর সারারাত্র বিনিদ্রভাবে স্বীয় প্রভুর গৃহ পাহারা দেয়, তদ্রূপ সৎলোকেরও অহোরাত্র জাগ্রত থাকিয়া আল্লাহ পাকের এবাদত করা দরকার। (৪) কুকুর উত্তরাধিকারীদের জন্য কিছুই রাখিয়া যায় না, তেমনি সৎলোকেরও রাখা উচিত নহে। (৫) কুকুর স্বীয় প্রভুর দুয়ার হইতে শত সহস্রবার তাড়া খাইয়াও বিতাড়িত হয় না, অনুরূপভাবে বান্দাদেরও নানারকম দৈব দুর্বিপাকে পড়িয়া আল্লাহ পাকের নাম স্মরণ রাখা দরকার।”
হযরত আলী (রাঃ) বলিয়াছেন, যাহার জীবনযাত্রা কুকুরের ন্যায় তাহার জন্য সু-সংবাদ রহিয়াছে। কুকুরের মধ্যে দশটি অভ্যাস দেখিতে পাওয়া যায়। যেমন – (১) কুকুরের কোন ধন-সম্পদ নাই, (২) বিশ্বের কোথাও তাহার মান-সম্মান নাই, (৩) সমস্ত দুনিয়া জুড়িয়াই তাহার বাসস্থান, (৪) আর ইহা অধিকাংশ সময় চুপচাপ থাকে, (৫) অধিকাংশ সময়ই ইহা ক্ষুধার্ত থাকে, (৬) কুকুর দিবারাত্র ইহার প্রভুকে স্মরণ করিয়া থাকে, (৭) সে যাহা পায় তাহাতেই সন্তুষ্ট থাকে, (৮) শত সহস্র বেত্রাঘাত খাইয়াও সে প্রভুর দুয়ার পরিত্যাগ করে না, (৯) সে প্রভুর শত্রুকে আক্রমণ করে কিন্তু প্রভুর বন্ধুকে আক্রমণ করে না আর (১০) মৃত্যুকালে সে কিছুই পরিত্যাগ করিয়া যায় না। ইহাই হইল কুকুরের জীবনযাত্রার কতিপয় নিয়মাবলী। এই সকল স্বভাব সৎলোকদের মধ্যে থাকা দরকার।
দাকায়েকুল আখবার- (২৩) কিরামান কাতেবীনের বিবরণ
দাকায়েকুল আখবার- (২২) মনকির নকীরের সওয়ালের বিবরণ
দাকায়েকুল আখবার- (২১) মনকির নকীরের পূর্ববর্তী ফেরেশতার বিবরণ
বুধবার, ১৫ মে, ২০২৪
দাকায়েকুল আখবার- (২০) দেহ হইতে রূহ্ কবজের বিবরণ
হযরত রাসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আরও এরশাদ করিয়াছেন যে, “তখন একজন গৌরকান্তি বিশিষ্ট সুন্দর সুপুরুষ আগমন করিবেন এবং তাঁহার শরীর হইতে সুগন্ধ বাহির হইবে। তিনি বলিবেন, ‘হে আল্লাহর বান্দা ! তোমার সৃষ্টিকর্তা তোমাকে যে সকল সুসংবাদ প্রদান করিয়াছেন, আমিও তোমাকে সেইসব সুসংবাদ প্রদান করিতেছি। উক্ত বান্দা তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করিবে ‘আপনি কে? আল্লাহ তা'আলা আপনার উপর শান্তি বর্ষিত করুন। আপনার মত সুন্দর সুপুরুষ আর কাহাকেও দেখি নাই।' প্রত্যুত্তরে তিনি বলিবেন, ‘আমি তোমার নেক আমল!’
দাকায়েকুল আখবার- (পর্ব- ১৯) বিপদে ধৈর্য্য অবলম্বন করা
দাকায়েকুল আখবার- (১৮) মৃতের জন্য বিলাপ করিবার পরিণাম
হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যখন কোন ব্যক্তি মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তখন কেহ যদি উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করিতে করিতে সেই গৃহে প্রবেশ করে, তাহা হইলে মালাকুল মউত সেই গৃহের দরওয়াজায় দাঁড়াইয়া ঘোষণা করেন, “হে মানবমণ্ডলী! তোমরা এরূপ করিতেছ কেন? আমি তোমাদের কাহারও হায়াত বা ধন-সম্পদ বিনষ্ট করি নাই এবং কাহারও উপর অত্যাচার করি নাই। তোমরা যদি আমার কাজে অসন্তুষ্ট হইয়া ক্রন্দন করিয়া থাক, তবে জানিয়া রাখিও, আমি আল্লাহ তা'আলার নির্দেশ পালনকারী দাসানুদাস মাত্র। আর যদি মৃত ব্যক্তির জন্য ক্রন্দন করিয়া থাক, তবে জানিয়া রাখিও, সে ছিল নিতান্ত অসহায়। আর যদি আল্লাহ তা'আলার আদেশের কারণে ক্রন্দন করিয়া থাক, তবে তোমরা আল্লাহ তা'আলার শোকর গুজারী হইতে বঞ্চিত হইয়া কুফুরী করিতেছ। আল্লাহর শপথ দিয়া বলিতেছি যে, অবশ্যই তোমাদের নিকটও আমাকে আসিতে হইবে আর তোমরা কেহই আমার হাত হইতে রেহাই পাইবে না।”
ফকীহগণের অভিমত এই যে, মৃত ব্যক্তির জন্য উচ্চৈঃস্বরে চীৎকার করা হারাম; কিন্তু আওয়াজহীন ক্রন্দনে কোন ক্ষতি নাই তবে ধৈর্যধারণ করাই সর্বোত্তম। আল্লাহ তা'আলা এরশাদ করিয়াছেন- “ইন্নামা ইয়াতাওফ্ফাছ ছাবিরুনা আজরুহুম বিশ্বাইরি হিছাব” অর্থাত: - “অবশ্যই ধৈর্যশীলদিগকে অসংখ্য প্রতিদান প্রদান করা হইবে।” হযরত নবীয়ে করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলিয়াছেন, “উচ্চৈস্বরে ক্রন্দনকারীগণ ও তাহাদের সাহায্যকারীগণ এবং শ্রবণকারী ও নিকটবর্তী সকলেই আল্লাহ তায়ালা ও ফেরেশতাগণ এবং সমস্ত মানুষ অভিসম্পাত করিয়া থাকে।”
বর্ণিত আছে, হযরত হাসান ইবনে আলী (রাঃ) যখন ইন্তেকাল করেন, তখন তাঁহার স্ত্রী এক বৎসর পর্যন্ত তাঁহার কবরের উপর পড়িয়াছিলেন। এক বৎসর পর তাবু উঠানো হইলে কবরের মধ্যস্থল হইতে এই আওয়াজ তিনি শুনিতে পাইলেন, “ওহে! যাহাকে তুমি হারাইয়াছ, তাহাকে কি তুমি পাইয়াছ?” হুযুর করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) এর পুত্র হযরত ইব্রাহিম (রাঃ) যখন ইন্তেকাল হন, তখন তাঁহার চক্ষুদ্বয় হইতে অশ্রু ঝড়িতেছিল। ইহা দর্শন করিয়া হযরত আবদুর রহমান আরজ করিলেন, “হুযুর আপনিতো আমাদিগকে এইরূপ করিতে নিষেধ করিয়াছেন?” প্রত্যুত্তরে তিনি বলিলেন, “আমি মাত্র দুইটি পাপ আওয়াজ ও দুইটি আহাম্মকি কাজ হইতে বিরত থাকিতে বলিতেছি। উহা হইল বিলাপের ও গানের সুরে ক্রন্দন করা, পোশাক-পরিচ্ছদ ছিন্ন করা এবং গলদেশে আঘাত হানা কিন্তু অশ্রু বিসর্জনে কোন দোষ নাই। আল্লাহ তা'আলা রহমতস্বরূপ দয়ালুদের হৃদয়ে উহা স্থাপন করিয়াছেন।” তারপর তিনি বলিলেন, “হে ইব্রাহিম! তোমার বিচ্ছেদে আমার হৃদয় ব্যথিত এবং চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হইয়া পড়িয়াছে।”
মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
দাকায়েকুল আখবার- (১৭) জান কবজের পর রূহের চীৎকার
হযরত আবু কালাবা (রঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, একদা স্বপ্নে তিনি একটি কবরস্থান দেখিতে পাইলেন, যাহার কবরগুলি ফাটিয়া গিয়াছে এবং মৃতব্যক্তিরা বাহির হইয়া কবরের পার্শ্বে বসিয়া রহিয়াছে। তিনি আরও দেখিতে পাইলেন যে, তাহাদের প্রত্যেকের সামনে একটি করিয়া নূরের তবক রহিয়াছে; কিন্তু তাহাদের মধ্যে একজনকে দেখিতে পাইলেন যে, তাহার নূরের তবক নাই এবং সে খুবই চিন্তিত। উহার কারণ জিজ্ঞাসা করিয়া তিনি জানিতে পারিলেন যে, প্রথমোক্ত ব্যক্তিগণের পুত্র-কন্যা ও বন্ধু-বান্ধব তাহাদের জন্য দোয়া ও দান-খয়রাত করিয়া থাকে। উহার ফলস্বরূপ তাহারা নূরের তবক প্রাপ্ত হইয়াছে; কিন্তু শেষোক্ত ব্যক্তির এক অসৎ পুত্র আছে; সে পিতার জন্য দান-খয়রাত বা দোয়া-কালাম কিছুই করে না। সেজন্য তাহার নূরের তবক নাই এবং প্রতিবেশীদের নিকট খুবই লজ্জিত। অতঃপর হযরত আবু কালাবা (রঃ) জাগ্রত হইয়া উক্ত ব্যক্তির পুত্রকে ডাকিয়া আনিয়া স্বপ্নযোগে যাহা কিছু অবগত হইয়াছিলেন আনুপূর্বিক সবকিছুই খুলিয়া বলিলেন। পুত্র বলিল, “হুযুর! আমি আপনার হাতে তাওবাহ করিয়া বলিতেছি, আর আমি কখনও পাপের কাজ করিব না এবং আজীবন পিতার কথা স্মরণ রাখিব এবং আল্লাহ তা'আলার নিকট তাহার জন্য মাগফেরাত কামনা করিব।” তারপর সে মৃত পিতার জন্য দান-খয়রাত ও এবাদত-বন্দেগীতে মশগুল হইল। কিছুদিন পর হযরত আবু কালাবা (রঃ) পূর্ববত সেই কবরগুলি স্বপ্নে দেখিতে পাইলেন, পূর্বের সেই নূরহীন মৃত ব্যক্তির নিকট সূর্যের কিরণ হইতে অতি উজ্জ্বল একটি নূরের তবক বিরাজ করিতেছে। আর সেই ব্যক্তি বলিল, “হে আবু কালাবা ! আল্লাহ তা'আলা আপনাকে আমার অপেক্ষা উৎকৃষ্ট পুরস্কার দান করুন। আমি আপনার সাহায্যের ফলে দোযখের আযাব ও প্রতিবেশীদের তিরস্কার হইতে মুক্তিলাভ করয়াছি।”
হাদীস শরীফে আছে, একদা আজরাইল ফেরেশতা ইসকান্দর দেশীয় এক ব্যক্তির সহিত সাক্ষাত করিলেন। লোকটি তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “আপনি কে?” মালাকুল মউত বলিলেন, “আমি মৃত্যুদূত!” ইহা শ্রবণ করিয়া উক্ত ব্যক্তির পৃষ্ঠদেশ ও পাঁজরের মধ্যে অনুকম্পন আরম্ভ হইল। মৃত্যুদূত তাহাকে বলিলেন, “তুমি কেন এমন করিতেছ?” প্রত্যুত্তরে সে বলিল, “আমি দোযখের ভয়ে এমন করিতেছি।” অতঃপর মৃত্যুদূত তাহাকে বলিল, আমি কি তোমাকে একখানা চিঠি লিখিয়া দিব না, যাহা দ্বারা তুমি নরক হইতে পরিত্রাণ লাভ করিবে?” মালাকুল মউত একখণ্ড কাগজ লইয়া “বিছমিল্লাহিররাহমানির রাহীম” অর্থাৎ “পরম করুণাময় ও অনন্ত দয়ালু আল্লাহ পাকের নামে আরম্ভ করিতেছি” লিখিয়া দিয়া বলিলেন- “ইহা দ্বারাই তুমি দোযখ হইতে পরিত্রাণ লাভ করিবে।"
দাকায়েকুল আখবার- (১৬) বান্দার প্রতি মাটির ঘোষণা
বিবাহ (৩৫) কন্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ
বিবাহ (পর্ব – ৩৫) 📚এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ✍🏻ইমাম গাজ্জালী (রহ.) কন্যার বিয়েতে আদব সংক্রান্ত উপদেশ — পিতামাতার উপর কন্যা সন্তানের হক তাদেরক...
-
অহংকার ও আত্মপ্রীতি (পর্ব- ৮) এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) অহংকারের প্রতিকার ও বিনয় অর্জনের উপায় উপরোক্ত আলোচনা থেকে জানা গেল যে,...
-
অহংকার ও আত্মপ্রীতি (পর্ব- ৫) এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) অহংকারের স্বরূপ ও তার লাভ-লোকসান— অহংকার দু'প্রকার। একটি বাহ্যিক, অপ...
-
অহংকার ও আত্মপ্রীতি (পর্ব- ৩) এহইয়াউ উলুমিদ্দিন ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) অহংকারের নিন্দা — পবিত্র কোরআনুল কবিমে বহু স্থানে আল্লাহ তা'আলা ...









